শনিবার, ২৭ Jun ২০২০, ১১:১৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম ::
পাকিস্তানের শীর্ষ আলেম মুফতি নাঈমের ইন্তেকল হাটহাজারীর শুরার সিদ্ধান্ত ও আমার কিছু কথা : আবু রেজা নদভী এম পি উভয় আমাদের কাছে সম্মানীত : সৈয়দ মবনু তবলীগ আমাদের, হাটহাজারীও আমাদের  “আড়ালের সাতকাহন”” প্রসঙ্গ হাটহাজারী: অশালীন শব্দচর্চা ওয়ারাসাতুল আম্বিয়াদের ভাষা হতে পারে না আমরা কি আজীবন মসজিদ মাদ্রাসা নির্ভর থাকব? বাবুনগরীর অব্যাহতি নিয়ে আধা ঘণ্টার ব্যবধানে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য মুঈনে মুহতামীমের পদ থেকে আমি পদত্যাগ চাইনি : আল্লামা বাবুনগরী খাজা মঈনুদ্দীন চিশতি রহঃকে নিয়ে অবমাননায় নিন্দা সাইয়েদ আরশাদ মাদানির হাটহাজারী মাদরাসার শূরার বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ তিন সিদ্ধান্ত
মসজিদ আবাদকারীদের জানাই সাধুবাদ

মসজিদ আবাদকারীদের জানাই সাধুবাদ

মসজিদ আবাদকারীদের জানাই সাধুবাদ

আবু আফফান:

দুনিয়াতে যত বড় বড় নেক কাজ আছে তার ভিতর অন্যতম প্রধান কাজ হল আল্লাহর ঘর মসজিদ আবাদ করা, তাকে জীবন্ত রাখা, ইবাদাত, যিকির আযকারের মাধ্যমে সদা সর্বদাপ্রাণবন্ত রাখা। যারা এ কাজ করেন তাদের মর্যাদা আল্লাহ পাকের কাছে অনেক বেশি।

আসহাবে সুফফারা কেন ও কিভাবে  আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের দিল জয় করেছিলেন? কারণ একটাই তা হল, ইসলাম ও ইলমের জন্য জীবন উৎসর্গকারী সেইসকল মহান মানুষগুলো মসজিদ আবাদের মত মহান কাজে চব্বিশঘন্টা লেগে ছিলেন।

আজকের যুগে সত্যিকারের  মসজিদ আবাদের কাজে যেই সুমহান জামাত নিয়োজিত তার নাম দাওয়াত ও তাবলীগ জামাত।আজন্ম এ জামাতটি সত্যিই এক মোবারক জামাত। দাওয়াত ও তাবলিগের মাধ্যমে যারা মসজিদ জীবন্ত রাখছেন তাদেরকে আন্তরিক মুবারকবাদ ও সাধুবাদ জানাই ।

শুধু আমার একার নয় বরং সকল মুসলমানদেরই উচিত আমাদের অলসতা আর অবহেলা সত্বেও যে সকল ভাই ও বন্ধুরা এ মহান কাজে জড়িত তাদেরকে অন্তরের অন্তস্তল থেকে সাধুবাদ জানানো।

কিন্তু আজ প্রশ্ন হল,
আমরা কি তাদেরকে এই পবিত্রতম কাজ করার জন্য সাধুবাদ জানাচ্ছি নাকি পিছন থেকে টেনে ধরছি?!এই পবিত্র জামাত সম্পর্কে দিন কয়েক আগে ফেসবুক দেখলাম কিছু অসাধু নামধারী মুসলমানদের বিদ্বেষমূলক পোস্ট যে, “অবশেষে ৭০ দিন পর কাকরাইল থেকে ইতায়াতিদের বের করে দেওয়া হল”

সর্বনাশ!
কি জঘন্যতম কথা ভাবা যায়?
যারা দীর্ঘ দু-মাসের অধিক সময় ধরে মসজিদ আবাদ করলেন, ইবাদতের মাধ্যমে মসজিদে প্রাণ সঞ্চারিত করলেন তাদেরকেই নাকি মসজিদ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে?এখন আমার প্রশ্ন হল,কে কাকে বের করে দিল?
আর কেনই বা বের করে দিল?

আল্লাহর ঘর থেকে তাঁর মেহমানদের বের করে দেওয়া তো শয়তানের কাজ ইসলাম ধর্ম তো এমন গর্হিত কাজ আদৌ সাপোর্ট করেনা।

দ্বিতীয়তঃ আমরা জানি মসজিদ আবাদ ও দাওয়াতি কাজের সুবিধার্থে  কাকরাইল মালওয়ালি মসজিদ উভয় দলের জন্য ভাগ করা আছে।
এক দল তাদের লোকবল আর সমন্বয়হীনতার দরুন মসজিদ আবাদ ও দাওয়াতি  কাজের সক্ষমতা হারিয়ে ফেলার কারণে মালওয়ালি মসজিদে জড়ো হতে পারেনি।

তাই তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে,অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে, দীর্ঘ দুইমাস মসজিদ আবাদের মেহনত করে ওয়াযাহাতি ভাইদের পিঠ বাঁচিয়ে দিয়েছেন মূলধারার সাথি ও জিম্মাদারগণ। এ জন্য একটিবারের জন্য হলেও কি তাঁদেরকে ধন্যবাদ জানানো দরকার ছিল না?মোবারকবাদ জানিয়ে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া দরকার ছিলনা?!

কিন্তু না, তাদের বেয়াদব সমর্থকরা এ কাজ না করে করছে উল্টোটা।
এ তো দেখছি
‘ উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে’ র দশা।

যে মানুষের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারেনা সে আবার আল্লাহর প্রশংসা কিভাবে করবে?! আল্লাহ পাক সবাইকে কৃতজ্ঞশীল বান্দা হওয়ার তাওফিক দান করুন।

Facebook Comment





© All rights reserved © 2020 TabligNewsBD.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com