বুধবার, ১৬ Jun ২০২১, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম ::
চলতি মাসেই চালু হচ্ছে ৫০ মডেল মসজিদ অনলাইনে বিভিন্ন গ্রুপ ও পেইজ এডমিনদের নিয়ে মাশোয়ারার  বাংলাদেশে আরবি বিস্তারের মহানায়ক আল্লামা সুলতান যওক নদভী (দা.বা) দেওবন্দে গেলেন হযরতজী মাওলানা সাদ কান্ধলভী দা.বা. মনসুরপুরীকে নিয়ে সাইয়্যেদ সালমান হুসাইনি নদভির স্মৃতি চারণ আল্লামা ক্বারী উসমান মানসুরপুরীর ইন্তেকালে বিশ্ববরেণ্য আলেমদের শোক আমীরুল হিন্দ আল্লামা ক্বারী উসমান মানসুরপুরীঃ জীবন ও কর্ম আমার একান্ত অভিভাবক থেকে বঞ্চিত হলাম : মাহমুদ মাদানী মানসুরপুরীর ইন্তেকালে জাতীয় কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের গভীর শোক প্রকাশ দেওবন্দের কার্যনির্বাহী মুহতামিম সাইয়েদ কারী মাওলানা উসমান মানসুরপুরী আর নেই
মুঈনুল ইসলাম মাদরাসা দখলের মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বৈধ কর্তৃপক্ষের তীব্র নিন্দা

মুঈনুল ইসলাম মাদরাসা দখলের মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বৈধ কর্তৃপক্ষের তীব্র নিন্দা

আল মাদরাসাতু মুঈনুল ইসলাম মাদরাসা দখলের মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বৈধ কর্তৃপক্ষের তীব্র নিন্দা

রাজধানীর গুলশানের ভাটারা থানার কোকাকোলা এলাকায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী দ্বীনী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আল মাদরাসাতু মুঈনুল ইসলাম দখলের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক সম্প্রতি সময়ে মাদরাসার বৈধ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও ভুয়া সাংবাদিক সম্মেলনসহ নানান হয়রানীমূলক কর্মকাণ্ডে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।
উল্লেখ্য যে, বিগত ১১ই মে ২০২০ তারিখে অত্র মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল, তাবলীগ জামাত মূলধারার বিশিষ্ট মুরুব্বী ও জাতীয় কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুফতি আতাউর রহমানের ইন্তেকালের পর কতিপয় বহিরাগত ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে দখলের হীন ষড়যন্ত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে।  তাদের এই ষড়যন্ত্রের পর বারবার ভাটারা থানার ওসি মহোদয়, স্থানীয় ও পার্শ্ববর্তী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাদেরকে নিজেদের স্বপক্ষে কাগজপত্র ও দলীলাদি দর্শাতে বললে তারা বরাবরের মতই ব্যর্থ হয়।
উপরন্তু মাদরাসার নামে ভুয়া প্যাড, ভুয়া সভাপতি, ভুয়া কমিটি, এমনকি ভুয়া মুহতামিম বানিয়ে মিডিয়াসহ নানান জায়গায় প্রচার করতে থাকে।
আল মাদরাসাতু মুঈনুল ইসলামের সাথে কখনোই কোনভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন না এমন দুই ব্যক্তি মিরপুরের শাহরিয়ার মাহমূদ ও পুরাতন ঢাকার আমানুল হকের নেতৃত্বে বিগত ২রা আগষ্ট ২০২০ তারিখে মাদরাসার পূর্ববহিষ্কৃত কতিপয় শিক্ষক ও বহিরাগতের দিয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে দখলের পায়তারা করা হলে এলাকাবাসী ও মাদরাসার বৈধ কর্তৃপক্ষের প্রতিরোধের মুখে তারা ব্যর্থ হয় পিছু হটে।
তারপর নতুন ষড়যন্ত্র হিসেবে বিগত ১২ই আগস্ট ২০২০ বুধবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে ভুয়া সাংবাদিক সম্মেলন করে শাহরিয়ার মাহমূদ নিজেকে সভাপতি দাবী করে।  যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও অসাংবিধানিক।  এমনকি এই দুষ্কৃতিকারী চক্রটি উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে আলমাদরাসাতু মুঈনুল ইসলামকে বেফাকুল মাদরিসিল আরাবিয়ার কাছে হস্তান্তরের দাবী জানায়।
উল্লেখ্য যে, বিগত ৩০শে অক্টোবর ২০১৮ সালে গণমাধ্যমে ফলাও করে বিবৃতি দিয়ে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে উক্ত প্রতিষ্ঠানসহ তাবলীগের মূলধারার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিল করে। এসব প্রেক্ষিতে আলমাদরাসাতু মুঈনুল ইসলামের মুহতামিম মরহুম মুফতি আতাউর রহমান বিগত ৪ঠা এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মহামান্য আদলতে একটি রীট পিটিশন দাখিল করেন।
মহামান্য আদলত বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়াকে ভর্ৎসনা করে উক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের নামে পরীক্ষা নিতে নির্দেশ প্রদান করে।  আদলতের নোটিশের পরও উক্ত বোর্ড কর্তৃপক্ষ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে মুফতি আতাউর রহমান আরো সহস্রাধিক কওমী মাদরাসা নিয়ে স্বতন্ত্রভাবে “জাতীয় কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড” প্রতিষ্ঠা করেন।  এখন আবার শাহরিয়ার মাহমূদ গংরা নির্লজ্জভাবে মরহুমের ইন্তেকালের পর উড়ে এসে জুড়ে বসার হীন চেষ্ঠার অংশ হিসেবে দূর্নীতিতে নিমজ্জিত কওমী শিক্ষাবোর্ড বেফাকের কাছে তাদেরই নিবন্ধন বাতিলকৃত মাদরাসাকে পূণরায় ফিরিয়ে নেওয়ার দাবী করা সম্পূর্ণ হাস্যকার, বেআইনী ও অযৌক্তিক।
তাছাড়া মাদরাসার দীর্ঘদিনের সভাপতি সাবেক জেলা জজ জনাব আতাউর রহমান ও মাদরাসার দীর্ঘদিনের শায়খুল হাদীস ও সদ্যপ্রয়াত মুহতামিমের শ্বশুর খ্যতিমান আলেমে দীন আলমাদরাসাতু মুঈনুল ইসলামের মুহতামিম মাওলানা আবদুর রাজ্জাক সহ বৈধ কমিটি, শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলা, ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার শুরু করে।  আমরা এসব ন্যাক্কারজনক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি উক্ত প্রতিষ্ঠান দখলের সকল হীন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আলমাদরাসাতু মুঈনুল ইসলামের সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে নিরপরাধ আলেম ও মাদরাসার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপর অবৈধ দখলবাজদের মিথ্যা মামলা দ্রুত সময়ের ভিতর প্রত্যাহার ও বাতিলের জোর দাবী জানাচ্ছি।  মাদরাসা দখলের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত চক্রটির হাত থেকে মাদরাসাকে হেফাযত করতে স্থানীয় প্রশাসন, বিশেষ করে ভাটারা থানা কর্তৃপক্ষ সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন ও পূর্ণ সহযোগিতা করে আসছে।  তারই অংশ হিসেবে বর্তমানে মাদরাসাটি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।  আমরা আশা করছি, প্রশাসন দ্রুত সময়ের ভিতরে মাদরাসাটি বৈধ কর্তৃপক্ষের হাতে হস্তান্তর করে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতা করবেন। এক্ষেত্রে আমরা শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবীদ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় প্রশাসন, দেশের চিন্তাশীল শীর্ষ উলামায়ে কেরাম ও জাতির বিবেক সাংবাদিক ভাইদের সহযোগিতা কামনা করছি ।
Facebook Comment





© All rights reserved © 2020 TabligNewsBD.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com