সোমবার, ১৪ Jun ২০২১, ০৩:১৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম ::
চলতি মাসেই চালু হচ্ছে ৫০ মডেল মসজিদ অনলাইনে বিভিন্ন গ্রুপ ও পেইজ এডমিনদের নিয়ে মাশোয়ারার  বাংলাদেশে আরবি বিস্তারের মহানায়ক আল্লামা সুলতান যওক নদভী (দা.বা) দেওবন্দে গেলেন হযরতজী মাওলানা সাদ কান্ধলভী দা.বা. মনসুরপুরীকে নিয়ে সাইয়্যেদ সালমান হুসাইনি নদভির স্মৃতি চারণ আল্লামা ক্বারী উসমান মানসুরপুরীর ইন্তেকালে বিশ্ববরেণ্য আলেমদের শোক আমীরুল হিন্দ আল্লামা ক্বারী উসমান মানসুরপুরীঃ জীবন ও কর্ম আমার একান্ত অভিভাবক থেকে বঞ্চিত হলাম : মাহমুদ মাদানী মানসুরপুরীর ইন্তেকালে জাতীয় কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের গভীর শোক প্রকাশ দেওবন্দের কার্যনির্বাহী মুহতামিম সাইয়েদ কারী মাওলানা উসমান মানসুরপুরী আর নেই

হযরতজীর চারপাশের মানুষগুলো (পর্ব-১)

হযরতজীর চারপাশের মানুষগুলো(পর্ব-১)

মাওলানা হাকীম আনোয়ার আবদুল্লাহ 
==============================
নিজামুদ্দীন বিশ্ব মারকাজ থেকে বর্তমান সময়ে যারা তাবলীগের বিভিন্ন তাকাজা নিয়ে সারা দুনিয়াতে সফর করেন তাদের অধিকাংশই উম্মাহর একঝাঁক মেধাবী বরেন্য আলেম। তাদের প্রত্যেকেই স্ব স্ব ক্ষেত্রে উম্মাহর আলোর মিনার। একেকজন গভীর ইলমি ব্যাক্তিত্ব। কেউ কেউ লেখালেখির অঙ্গনে কিংবদন্তিতুল্য। কেউ আন্তর্জাতিক অঙ্গনের শীর্ষ স্কলার। কেউ কেউ আবার যুগশ্রেষ্ট শায়খুল হাদীস ও ফকীহ। কেউ আবার তাসাউফের শায়েখ। এই খ্যাতিমান আলেমরাই নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে থেকে সময় বের করে হযরতজী মাওলানা মুহাম্মদ সাদ কান্ধলভী হাফিজাহুল্লাহ’র মাশওয়ারায় হিন্দুস্তানসহ সাড়া দুনিয়ার জোড় ইজতেমায়র তাকাজা পুরণ করেন।

এই বিশ্বখ্যাত ইলমি মানুষগুলোই মূলত নিজামুদ্দীনের তত্বাবধানে পরিচালিত সকল ইজতেমা জোড়ের মিম্বরকে আলোকিত করে থাকেন। এই মাওলানারাই মূলত এখন তাদের পাণ্ডিত্যপূর্ণ আর ঈমানী বয়ান এবং কুরআন হাদীস থেকে কাজকে সিরাতের আলোকে পরিচালনায় তারা অনন্য ভূমিকা পালন করছেন হযরতজীর পাশে থেকে। এরাই মূলত হযরতজীর সকল বিশেষ বিশেষ মাশওয়ারায় ডানবামে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন।

একসময় বিশ্ব ইজতেমা ও জোড়ের মিম্বর থেকে ভাই ফারুক বেঙ্গলোর সহ বুম্বাই ও আলীগড়ের প্রফেসারগন বড় গলায় বলতেন “নবিউ কা মেহনত বনিকো মে আ জায়ে গা” (নবি-বনি) নবীদের মেহনত এখন বনিকদের মাঝে চলে এসেছে। আর দাওয়াত ও তাবলীগের বর্তমান বিশ্ব আমীর হযরতজী মাওলানা মুহাম্মদ সাদ কান্ধলভী হাফিজাহুল্লাহুর তাবলীগের মেহনতের সবচেয়ে বড় সংস্কার হলো এই বনিকদের নয় বরং হিন্দুস্তান সহ গোটা দুনিয়ার বড় বড় ওয়ারাসাতুল আম্বিয়া/ নায়বে নবীদের খোঁজে খোঁজে সামনে এনে মিম্বরের মাইক তাদের হাতে তুলে দিয়েছেন।যাতে করে দাওয়াতের এই নবীওয়ালা মেহনত কুরআন ও হাদীসের আলোকে সীরাতের অনুসরণ করে চলতে পারে। হযরতজী বলেন, নবীওয়ালা মেহনত চলবে নায়বে নবীদের মাশওয়ারায়।

হযরতজীর এই বিষয়টই মূলত বুম্বাই আর গুজরাটি ব্যাবসায়ী মারকাজের জিম্মাদারগন মেনে নিতে পারেন নি। এসব লোক যখন দেখল হযরতজী নিজামুদ্দীনের মাশওয়ারায় সারাদেশ থেকে ডেকে ডেকে এনে মেহনতের সাথে জড়িত মাদরাসাওয়ালাদের রায় নিচ্ছেন, সামনে বসাচ্ছেন, বিভিন্ন আমল দিচ্ছেন, আহলে ইলমদের বিভিন্ন দেশি বিদেশি তাকাজায় ব্যাবহার করছেন, ছোট ছোট সংক্ষিপ্ত সফরের ফায়সালা করে জিম্মাদার বানিয়ে পাঠাচ্ছেন, তখন নিজামুদ্দীনে মুকিম নামক আগরাজওয়ালা বনিকরা ব্যাপক আপত্তি তুললেন। নিজামুদ্দীনের মুকিমিন ছাড়া কোন তাকাজায় অন্য আলেমরা চলতে পারবেন না, চললে মারকাজে অবস্থান করতে হবে, তাদের স্ব স্ব মাহল ছেড়ে কেবল তাবলীগের কাজ করতে হবে। এমন প্রস্তাবকে জোড়ালো করে গ্রুপিং লবিং ও তাবলীগের ময়দানে নোংড়া রাজনীতি খেলা শুরু করেন।

যারা মূলত তৃতীয় হযরতজীর দীর্ঘ দিনের অসুস্থতাকে পুঁজি করে মারকাজে বনিকীয় সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিল। দেশ বিদেশে এই নিদিষ্ট সেন্ডিকিটের মুকিম নামক বনিকরাই সকল তাকাজা দখল করে রাখতো। মাশওয়ারায় সামনের সারি দখল করে প্রভাবিত করার ও রায়ে ইসরার করার চেষ্টা করতো দীর্ঘ দিন ধরে।হজরতজী এই বলয় ভেঙ্গে দিয়ে আলেমদের আগে বাড়াতে থাকেন কাজকে তার সহী নকশায় চালানোর জন্য। সাথে মুখলিস কুরবানীওয়ালা মুবাল্লীগ সাথীরা কাজে সামনে বাড়তে থাকেন।

আলেমদের এইভাবে সামনে আনা নিয়েই মূলত নিজামুদ্দীন মারকাজে ২০১৬ সালে প্রথম বিদ্রোহ করেন ভাই ফারক বাঙ্গলোর, ভাই সানাউল্লাহ আলীগড়ী, ভাই মুহসিন উসমান, ভাই প্রফেসা আব্দুর রহমান মাদরাজী মুকিমিন গংরা। উলামা বিদ্ধেষী এই সেন্ডিকেটই মূলত নিজামুদ্দিন থেকে দুই বুজুর্গের কান ভারী করে তাদের বের করে নিয়ে যায়। এরপর তারাই আবার দাজ্জালি আওয়াজ তুলে আলেমদের সাথে না আওয়ামদের সাথে।যদিও এটই ব্যাস্তবতা কথিত আলমি শূরার নীতিনির্ধারণী ৯০ভাগই কেবল আওয়ামই নয় প্রচন্ড উলামা বিদ্ধেষী।

আর এটাই কুদরতি ফায়সালা সিন্ডিকেট করে এই মেহনত দখলও করা যায় না, মেহনতে থাকাও যায় না। হযরতজী ইলিয়াস রহ বিখ্যাত উক্তি, “মাছ যখন পঁচে যায় তখন ফুলে পানির উপর ভেসে যায়। তোমরা কাউকে এই মেহনত থেকে বের করার চেষ্টা করবেনা। যখন পঁচে যাবে তখন এমনি বের হয়ে যাবে।”

এরা এই ক্ষেত্রে হযরতজীর উপর তাবলীগের মানহাজ পরিবর্তনের অভিযোগ আনে। অথচ হযরতজীর সকল কাজই প্রথম দুই হযরতজীর মালফুজাত ও সীরাতের আলেকে।

হযরতজী মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস কান্ধলভী রহ এর মালফুজাতে আছে ” আমি চাই এই মেহনতে প্রত্যেক তবকার (পেশার) মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই কাজে সময় দিবেন। এই কাজের মাকসাদ এটি নয় যে এই কাজের দ্বারা অন্যন্যদের সকল কাজ বন্ধ করে দেয়া। বরং দ্বীনের সকল শুভা (সেক্টর) তে এই দাওয়াতের মেহনতওয়ালারা পানি পৌছাবে।

তিনি আরো বলতেন, উলামায়ে কেরামের ব্যাপারে আমি এতটুকো কেবল চাই, তারা যেন তাদের স্ব স্ব দ্বীনী খেদমত থেকে একটু সময় বের করে নিজামুদ্দীনে সময় দেন যাতে সাধারণ মানুষের ইলম ও আমলের উন্নতি হয়। তোমাদের দুনিয়াবী কাজ থেকে ফারেগ হয়ে আল্লাহর রাস্তায় সময় ব্যায় করতে পার না, সেখানে উলামায়ে কেরাম কিভাবে দ্বীনী গুরুত্বপূর্ণ জিম্মাদারী মাদরাসা,মসজিদ তাসনিফাত (লেখালেখি) এর মতো মহান দ্বীনী কাজ রেখে সময় না দিতে পরাকে তোমরা অভিযোগ তুল। বরং তাদের এসব দ্বীনী কাজের ফাঁকে ফাঁকে সুযোগ করে যে অল্প সময়টুকো এই কাজে দিবেন তাই আমাদের জন্য বড় নেয়ামত। ”

বাস্তবিকই “মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস রহ.আওর উনকা দ্বীনী দাওয়াত” কিতাব অধ্যায়ন করলে দেখে যায়, সে সময় নিজামুদ্দীন মারকাজে কারা সময় দিতেন, সাহরানপুরের শায়খুল হাদীস, লেখালেখি জগতে ডুবে থাকা শায়েখ জাকারিয়া রহ সময় করে আসতেন, বড় হযরতজী তখন তাঁর সকল মাশওয়ারা কবুল করতেন। তাসাউফের মহান ব্যাক্তিত্ব খানকার শায়েখ মাওলানা আব্দুর রহিম রায়পুরী মারকাজের মাশওয়ারায় সময় বের করে জুড়তেন। রাজনীতিতে সদা ব্যাস্ত, তালিমে নিমগ্ন সাধক শায়খুল ইসলাম মাওলানা হোসাইন আহমদ মাদানী রহ.মেওয়াত ও নিজামুদ্দীনের সকল জোড় ইজতেমায় বয়ান করতেন। লখনৌর নদওয়াতুল উলামা থেকে আসতেন মাওলানা সাইয়্যেদ আলী মিয়া নদভী, যিনি তখন অল ইন্ডিয়া মুসলিম ল বোর্ডের সেক্রেটারীর কাজে সদা ব্যাস্ত থাকতেন। আবার নিজামুদ্দীন এলে তিনিই মিম্বরে বয়ান করতেন। রায়ভেরলভী থেকে আসতেন বিখ্যাত মাসিক আল ফুরকানের সম্পাদক মাওলানা মনজুর নোমানী। হযরতজীর অনুমতি নিয়ে তার বয়ানাত ও মালফুজাত পত্রিকায় ছাপতেন। শেষ বয়েসে হযরতজী বলতেন এই দুজন (আলী মিয়া ও নোমানী) আমার দুই বাজু। আর দুজনই দাওয়াতের কাজে জড়িত ভিন্ন শুগুলে ব্যাস্ত আলেম।দেওবন্দ থেকে আসতেন মুফতী কেফায়তুল্লাহ রহ, শেষ সময়ে দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম হাকীমুল ইসলাম কারী তাইয়্যেব ছাহেব সহ আরো অনেক। সবাই ইলিয়াস রহ এর মাশওয়ারায় চলতেন। মাশওয়ারর আহলে রায় ছিলেন।

সেদিন কাকরাইলের আহলে শূরা ও ফায়সাল, আমার পরম শ্রদ্ধেয় শায়েখ হযরত খান শাহাবুদ্দীন নাসিম সাহেব দা.বা.বলতেছিলেন, “একসময় কাকরাইলে ঢাকার অনেক আলেমরা জুড়তেন, বড়কাটারা থেকে আসতেন হযরত পীরজী হুজুর রহ. লালবাগ থেকে শামসুল হক ফরীদপুরী রহ. তিনি সকাল বেলা মাদরাসার ছাত্রদের কাকরাইলে পাঠিয়ে দিতেন বড় হুজুরের বয়াম শুনতে। শায়খুল হাদীস আল্লামা আজীজুল হক রহ ২০/২২জনের জামাত নিয়ে ৩ দিনের জন্য আসতেন এমন আরো অনেকের নাম বলললেন। তখন কাকরাইলের আমল একটি উঁচা মানে ছিল। যেখান থেকে সারা বিশ্বের মানুষের পিপাসা মিটতো। তিনি আরো বলেন, হাজী সাহেব রহ ( ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মুকিত রহ) বলতেন, দ্বীনের সকল কাজই আমাদের। অন্যরা সেসব কাজ আঞ্জামা দিয়ে আমাদের উপর ইহসান করছেন, নতুবা সেসবতো আমদেরও করতে হতো। আমরা অনন্য শুভায় সময় দিতে পারিনা তাবলীগওয়ালা হওয়ার জন্য নয় বরং মাজুরীর কারণে।” তাবলীগের বর্তমান হযরতজী মূলত আমাদের আগেকার আকাবির আসলাফদের অনুসরণ করে বিভিন্ন দ্বীনী খেদমতে জড়িত থাকা আলেমদের মারাকাজি আমলে ব্যাবহার করা শুরু করেন উদারবক্ষে।

তাবলীগের বর্তমান হযরতজী মূলত নিজামুদ্দিন এর প্রথম জামানার ছাতায় আবার মেহনতকে ঢেলে সাজাতেই ইলিয়াস রহ এর মানশাকে বাস্তবায়নের লক্ষে আর কাজকে তার সহী রোখে নিয়ে আসতে আলেম উলামাদের নিজের চারপাশে ও কাজের সকল তাকাজায় প্রাধান্য দিতে থাকেন। বিখ্যাত আলেম মুুফতী আব্দুল ওয়াহাব সাহেব যিনি হায়দারাবাদের শায়খুল হাদীস তিনি মূলত হযরতজীর সকল তাকাজায় এখন প্রথমে থাকা নাম।

শ্রীলংকা জমিয়তে উলামার সভাপতি,শ্রীলংকা কওমী মাদরাসা বোর্ড ও শরীয়া ব্যাংকের প্রধান মুফতী মুহান্ম্মদ রিজভী, যিনি শ্রীলংকার তাবলূগের শূরা। মুফতী রিজভী মূলত হযরতজীর সকল গুরুত্বপূর্ণ মাশওয়ার অন্যতম আহলে রায়। একেবারে পাশে বসা ও সাথে থাকা ব্যাক্তিত্ব। সকল আন্তর্জাতিক সফরে বিশ্ব আমীরের ছায়া সঙ্গী ও তরজুমান।

মাওলানা উবায়দুল্লাহ বোয়ালভীর ছেলে শায়খুল হাদীস মাওকানা আব্দুল আজীম সাহেব সাহরানপুর মাদরাসার মোহাদ্দিস, এছাড়া তিনি সাহরানপুরের অধিনে পরিচালিত সকল মাদরাসার নাজেম। তিনি নিজামুদ্দিন এর সকল তাকাজায় প্রথমে থাকেন। বিখ্যাত উসুলে হাদীসের কিতাব মুসতালাহাত সহ বহু কিতাব তিনি লিখেছেন। মাওলানা হুসাম উদ্দীন কাসেমী যিনি তাবলীগ সংশ্লিষ্ট অনেক কিতাবের লেখক নিয়মিত বিদেশের তাকাজা পুরা করেন। হযরতজীর উপর সকল আপত্তির জবাবদানকারী হায়দারাবাদ মাদরাসার মুহতামিম মুফতী মুতিউর রহমান মাযহারী নিজামুদ্দীনের মাশওয়ারায় নিয়মিত দেশ বিদেশের তাকাজা পুরা করেন।

মুফতী জহির বারাবাংকী হাতুরা মাদরাসার মুহাদ্দিস হযরতজীর অন্যতম সহচর বলা চলে। অনেক বড় মাপের ইলমি ব্যাক্তিত্ব।, মাওলানা আশরাফ আজমী, আজমগর মাদরাসার মুহতামিম, ভারতের ইসলামিক স্কুল বোর্ডের পরিচালক, যিনি হযরতজীর মাশওয়ারায় চলেন নিজামুদ্দীনের সকল তাকাজায় ব্যাবহত হন।

এভাবে নিজামুদ্দীনের মারকাজে সকল তাকাজায় হযরতজীর সাথে চলেন, মুফতী ইফতেখারুল হাসান লখনৌর বিখ্যাত দেওড়িয়া মাদরাসার মুহতামিম, মুফতী শোয়াইব, দারুল উলুম দেওবন্দের দীর্ঘ দিনের মুঈনে মুফতী, মুফতী কমর নাসিম দারুলবউলুম পাঠনার মুহতামিম, শায়খুল হাদীস মুফতী রিয়াসত শিকারপুর মাদরাসার শায়খুল হাদীস, শায়খুল হাদীস মাওলানা ফরিদ আহমদ কাসেমী(বাবা ফরীদ) শায়খুল হাদীস দারুল উলুম ওয়াকফ দেওবন্দ, দেওবন্দের ইফতার দীর্ঘ দিনেী উস্তাদ, দেওবন্দের মাদরাসায়ে উম্মে মাকতুবের মুহতামিম মুফতী ফুরকান মহারাষ্ট্রী, যিনি ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া, ও ফতোয়ায়ে দারুল উলুম (দেওবন্দের শত বছরের ফতোয়াগ্রন্থ) এর সর্ব বৃহৎ ঠিকা ও ব্যাখ্যাকার। মাওলানা আব্দুল আজীজ দিল্লী, মুফতী ইব্রাহিম বুলন্দশহরী যিনি ২২খন্ডে ফতোয়ায়ে নাওয়াজেলের ব্যাখ্যাগ্রন্থকার। শাশইখুল হাদীস আব্দুর রশীদ হাফি (মাও উবায়দুল্লাহ রহ এর সন্তান ) আসামের মাওলানা মনজুর আহমদ কাসেমী, নদওয়াতুল উলামার সুনামধন্য উস্তাদ মুফতী মাহবুব নদভী, এরাই মূলত হযরতজীর চারোশের মানুষ। বর্তমানে সারা দুনিয়ায় কুরআন হাদীসের নূরে দাওয়াতের মেহনতকে হজরজরীর নির্দেশনায় নুরানিয়াত করে চলছেন।

দয়াময়, আমাদের হযরতজী সহ তাঁর চারপাশের এই মকবুল মানুষগুলোকে নেক হায়াত দান করুন। তাদের ইলমে, ঈমানে ও আমলে বরকত দান করুন। দাওয়াতের কাজে আরো কবুল করুন। আমীন।

চলবে…

Facebook Comment





© All rights reserved © 2020 TabligNewsBD.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com