শুক্রবার, ১৮ Jun ২০২১, ০১:১৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম ::
চলতি মাসেই চালু হচ্ছে ৫০ মডেল মসজিদ অনলাইনে বিভিন্ন গ্রুপ ও পেইজ এডমিনদের নিয়ে মাশোয়ারার  বাংলাদেশে আরবি বিস্তারের মহানায়ক আল্লামা সুলতান যওক নদভী (দা.বা) দেওবন্দে গেলেন হযরতজী মাওলানা সাদ কান্ধলভী দা.বা. মনসুরপুরীকে নিয়ে সাইয়্যেদ সালমান হুসাইনি নদভির স্মৃতি চারণ আল্লামা ক্বারী উসমান মানসুরপুরীর ইন্তেকালে বিশ্ববরেণ্য আলেমদের শোক আমীরুল হিন্দ আল্লামা ক্বারী উসমান মানসুরপুরীঃ জীবন ও কর্ম আমার একান্ত অভিভাবক থেকে বঞ্চিত হলাম : মাহমুদ মাদানী মানসুরপুরীর ইন্তেকালে জাতীয় কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের গভীর শোক প্রকাশ দেওবন্দের কার্যনির্বাহী মুহতামিম সাইয়েদ কারী মাওলানা উসমান মানসুরপুরী আর নেই

আসুন নবীর দাওয়াতি কাজকে আবার জিন্দা করি।

আসুন নবীর দাওয়াতি কাজকে আবার জিন্দা করি

খতিব তাজুল ইসলাম

আমার নগন্য চিন্তা থেকে বলছি যে, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি খুবই জটিল। কোথাও মুসলিম দেশের চেয়ে অমুসলিম দেশে মুসলিমরা নিরাপদ। আবার কোথাও অমুসলিম দেশের মত মুসলিম দেশ গুলোতে মুসলিম নির্যাতন সমান ভাবে হচ্ছে। নিকট অতিতে যে দেশকে ইসলামের ঘাঁটি হিসাবে ভাবা হত সেটা এখন কুফরের আড্ডা। আর যাকে আমরা স্যাকুলার বা ইসলামের লজ্জা বলে ভাবতাম তারা এখন হাঁটছে ইসলামের দিকে।
ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিলেই ঈমান চলে যাবে বিষয়টা তেমন না। মূল বিষয় হল আপনার মেরুদন্ড কতটুকু শক্ত আছে সেটা দেখেন।
কুফরের ভৃত্য একজিনিস আর স্বাধীন চেতনা আরেক জিনিস। সত্যি বলতে কি সবকিছু খুলে বলতেও পারবোনা লিখতেও পারবোনা। ইমামে কা’বা আব্দুর রাহমান সুদাইসের হাত চুম্বন যখন করছিল একজন বাংলাদেশী মুসলমান তখন তিনি অঝুরে কাঁদলেন। বললেন আমি কা’বার ইমাম বটে তবে আমার হাইসিয়ত কি সেটা তোমরা জাননা। বস্তুত জীবন মৃত্যুর সন্ধীক্ষনে আছেন তারা। আমিরাতের উলামাদের হাত পা মুখ বাঁধা। হুকুমতের কথা হল খাও দাও ফুর্তি কর বাট কিছুতে নাক গলাতে পারবানা।
এসবের কারণ কি? তারা সব কুফরের হালাল হয়ে গেছেন? না ভাই। এটা তাদের অপারগতা। তাহলে কি আত্মহুতি দিবেন? না, কৌশল অবলম্বন করবেন। দীনের কাজ চালিয়ে যেতে হবে। এখন যদি সালাত আদায় করতে দিতনা তুরস্কের মত তখন পরিস্থিতি আরো জটিল হতনা ভাই?
দেখুন, আমরা দাড়ি টুপি পান্জাবি তুব না হলে পুরা মুসলমান হিসাবে মেনে নিতে নারাজ। কিন্তু বিশ্বাস করবেন কি ভাই, মিশরে দাড়ি টুপিকে সন্ত্রাসের আলামত হিসাবে দেখা হয়। এরদোগান এখনো ভাস্কর্য নিয়ে চলছে। দাড়ি টুপি না থাকলেও তাকে খতম তরে দিতে তারা মরিয়া।
বিশ্বাস করবেন মিশর সৌদি আমিরাত এখন ইসলাম দুশমনির শেষ সীমায় পৌছেছে। তাই যারা নবী রসুলের দোহাই দিয়ে বলেন যে তাদেরও হত্যা করা হয়েছে, তারাও বিপদের মুখোমুখি হয়েছেন।
আমি একটা প্রশ্ন করি যে, নবীগণ জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কি তাদের মুখের ভাষা গালি আর হুমকি ধমকির জন্য?
না ভাই।
ফাঁসির কাস্টে গেছেন নায়েবে নবীগণ হাসতে হাসতে। তারপরও দাওয়াত পরিহার করেননি।
আমাদের তাদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ ও দোজখের বিপদ সম্পর্কে আগাহ করে যেতে হবে। শাসকদের উচ্চ মহলে দীনের যজবা সৌন্দর্য পৌঁছাতেই হবে। তাতে ফাসি দেয় দিক । জেলে পুরে পুরক কোন অসুবিধা নাই।
মরতে হবে একদিন তো সিংহের মত মরি। কাজ করে দাওয়াত দিতে দিতে মরি। ভুলপথে পরিচালিত মুসলিম মুসলিমে জিহাদ হতে পারেনা। জাহান্নামের কঠিন শাস্তির কথা বলতে বলতে যদি ব্রাশ ফায়ার করে তা হবে গৌরবের বিষয়।
সৌদি ও আমিরাত এবং মিশরের উলামাদের হুংকারে কি নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারবেন? না।
তাহলে আমাদের বিষয়টাও খুব কাছাকাছি। আসুন আমরা কাজে নামি। নায়েবে নবীর কাজ না ভাই গালি হুমকি ধমকি। তাদের কাজ হলো নবী জাকারিয়ার ধৈর্য নিয়ে চলা। এজন্যই হাদীস শরিফে এসেছে যে, আখেরি জামানায় একটি সুন্নাতের উপর আমল শত শহীদের চেয়েও সওয়াব হবে বেশি।
38
2 comments
3 shares
Like

Comment
Share
Facebook Comment





© All rights reserved © 2020 TabligNewsBD.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com