শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন

সারাদেশে মাহফিলের দ্বার উম্মুক্ত হোক: কিছু না বলা কথা

সারাদেশে মাহফিলের দ্বার উম্মুক্ত হোক: কিছু না বলা কথা

সারাদেশে মাহফিলের দ্বার উম্মুক্ত হোক: কিছু না বলা কথা

শায়খুল হাদীস মাওলানা জিয়া বিন কাসেম

চেয়ারম্যান, জাতীয় কওমী মাদরাসা শিক্ষার্বোড

 

এখন শীতের মৌসুম। এই সময়ে বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জ, শহর, পাড়া-মহল্লায় ওয়াজ-মাহফিলের উৎসব শুরু হয়। গ্রামের মাদরাসা, মসজিদ থেকে শুরু করে সাবাহি মক্তব, তরুণ, যুব, কিশোর, বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক সংগঠন ও সংস্থার উদ্যোগে ওয়াজ-মাহফিল, সীরাত সম্মেলন, তাফসিরুল কুরআন মাহফিল, সালানা জলসা, দরুসুল কুরআন মাহফিল, বার্ষিক জলসাসহ নানান নামে এসব ধর্মীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। কেথাও কোথাও তিনদিন, সাতদিন ও দশদিনের মাহফিল এবং তাফসির অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এটি আবহমান বাংলার ঐতিহ্য।

সম্প্রতি সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানান স্থানে ওয়াজ-মাহফিলগুলোতে নানান বিধিনিষেধ; এমনকি কোথাও কোথাও মাহফিল বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। গত দুই বছর ধরে এই প্রবণতা ক্রমশ বাংলাদেশে ব্যাপক হচ্ছে। ওয়াজ-মাহফিল বা ইজতেমা করতে অনুমোদন আনতে হয়। এর আগে ধর্মীয় কোন ধরনের মাহফিলের জন্য কোন প্রকার অনুমোদন নেয়ার প্রচলন ছিল না। এই ওয়াজ মাহফিলগুলো আমাদের সংস্কৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
ওয়াজ মাহফিলগুলোর দ্বারা সমাজে নানাবিধ উপকার হচ্ছে এটি অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই।

প্রথমত, তরুণ যুবকরা এর বড় শ্রোতা। এই মাহফিলগুলোর কারণে এরা মাদকাসক্তি, জুয়া, গান-বাজনা থেকে বিরত থাকছে। যেটি একটি সুস্থ সমাজ ও দেশ বিনিমার্ণে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক। এর প্রভাবে এখন গ্রাম-গঞ্জে যাত্রাপালা, হাউজি বাম্পার, পালাগান, বান্নির নামে জুয়ার আসর ও কনসার্ট এর নামে অশ্লীল রগরগে বেহায়পনার আয়োজন বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে যুবকশ্রেণী তাদের চরিত্র বিনষ্টতা থেকে বেঁচে যাচ্ছে। হাজার হাজার মাহফিল করছে স্থানীয় যুবকরা। এরা একটি ভাল কাজে ব্যস্ত থাকছে। ফলে আকাশ সংস্কৃতির ভয়াল থাবা আর মাদকের ছোবল থেকে তরুণদের সময় কাটছে ধর্মীয় অনুসাশন এবং সামাজিক কাজের মধ্যে।

দ্বিতীয়ত, বেসরকারী উদ্যোগে এদেশের প্রাক প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশিদার ‘সাবাহি মকতব’ শিক্ষা, কওমী মারাসা শিক্ষা ও গ্রামীণ মসজিদ মাহফিল করে জনগণের সরকারি অনুদানে টিকে থাকছে। এই মাহফিলগুলো বন্ধ হলে স্বাভাবিকভাবেই বেসরকারি অনুদানে পরিচালিত এসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো হুমকির মুখে পড়বে। কারণ মাহফিলে আসা জনগণের চাঁদা এসব প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ আয়। মাহফিলের মাধ্যমে দ্বীনি কথা বয়ানের পাশাপাশি সাধারণ মুসলমানদের একত্র করে চাঁদা সংগ্রহ করা আয়োজকদের অন্যতম উদ্দেশ্য হয়ে থাকে।

তৃতীয়ত, এই মাহফিলগুলোর মাধ্যমে অসংখ্য তরুণের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে। হাজার হাজার তরুণ বক্তা বেকারত্ব থেকে মুক্তি পাচ্ছেন এবং মাহফিল করে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বি হচ্ছেন। একটি বিরাট তরুণ শ্রেণীর অর্থনৈতিক কর্মসংস্থানকে কোনভাবে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। আমার পরিচিতি এক বক্তা ৮০ লাখ টাকা ঋণগ্রস্থ হয়ে ভীটেমাটি ছাড়ার উপক্রম হয়েছিল। এই তরুণ মেধাবী আলেম এরপর ওয়াজে নামেন। গত তিন বছরে তিনি তার সমুদয় পাওনা পরিশোধ করেছেন। বিষয়টিকে আমি আলেমদের জন্য পজিটিভ দেখছি। যদিও দাওয়াতের ময়দানে চুক্তি করে ওয়াজের জন্য টাকা নেয়া জায়েজ নেই। তবে কেউ স্বেচ্ছায় তার সময়ের মূল্য দিলে তাতে শরীয়া কোন আপত্তি নেই।

তবে লক্ষণীয় বিষয় হলো, আমরা গত কয়েক বছর ধরে দেখছি, সারদেশে এই মাহফিলগুলো আমাদের সামাজিক রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। যদিও এই মাহফিলগুলো আমাদের আবহমান বাংলার চিরাচরিত ঐতিহ্য হিসেবে বিবেচিত। তবে আমাদের জাতীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ বিশেষ করে সরকার দলীয় এমপি, মন্ত্রী, মেয়র, চেয়ারম্যান, কমিশনার/মেম্বার থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ অফিসারদের অংশগ্রহণ ব্যাপকভাবে লক্ষ করা গেছে। সারাদেশের ওয়াজ মাহফিলগুলোতে প্রধান বক্তা বড় আলেম থাকলেও প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করে আসছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। অনেকক্ষেত্রেই স্থানীয় আলেমরা নিজেদের অবস্থানকে কিছুটা নিচু করে হলেও স্থানীয় নেতাদের মাহফিলের আসন অলংকৃত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করছেন। এক্ষেত্রে আমাদের জনপ্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের সাথে আলেম-উলামা ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের একটি বড় মেলবন্ধন এই ওয়াজ মাহফিলগুলো। উভয়পক্ষই এর দ্বারা সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে উপকৃত হচ্ছেন।

এটি অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। বিশেষ করে ধর্মপ্রাণ মানুষের এই দেশে এমন মেলবন্ধন আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনার প্রতীক।তবে সম্প্রতি সময় মাহফিলগুলোতে নানান রং ঢং, নাটকীয় কথাবার্তা, গালাগালি, এক বক্তা অপর বক্তার বিরুদ্ধে বলা, ধর্মীয় অপব্যাখ্যা, উগ্রতা প্রদর্শন করে জনগণকে ভুলপথে পরিচালনা করা ও ধর্মীয় গাম্ভির্য্যপূর্ণ এই মাহফিলগুলোকে হাস্যরস ও কৌতুকে পরিণত করেছেন কতিপয় বক্তা।

ইউটিউবে তাদেসর আজগুবি কথাবার্তা অসুস্থ চিন্তার বার্তা বহন করে। মাহফিলগুলোকে কেউ কেউ রাজনৈতিক মঞ্চ বা সরকার বিরোধী প্ল্যাটফর্মে রূপ দেয়ার চেষ্টা করেছেন। তাদের সংখ্যা নেহায়ত কম। তবে তাদের বয়ান, বক্তৃতায় মিডিয়ায় আলোচিত এখন সবচেয়ে বেশি। তাদের দু’চার জনের কারণে এখন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গোটা ধর্মীয় অঙ্গন। প্রশাসন বাধ্য হচ্ছে কোথাও কোথাও কড়াকড়ি আরোপ করতে।

এছাড়া কতিপয় বক্তার অসংলগ্ন আলোচনার ফলে শিক্ষিত সচেতন ধার্মিক ব্যক্তিরা হতাশ হয়ে মুখ ফিরাচ্ছেন এই মাহফিলগুলো থেকে। এর দ্বারা ধর্মীয় মাহফিল সাধারণ মানুষের আস্থাহীনতায় পরিণত হচ্ছে। এসব লক্ষ্যহীন কথাবার্তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মিডিয়ায় নেগেটিভ নিউজ হচ্ছে। সচেতন সমাজ এর নিন্দা জানিয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। তবে ভাল ধর্মীয় বক্তা, ইসলামি স্কলারগণ যে ওয়াজ মাহফিলগুলো করছেন না, তা কিন্তু নয়। তবে তাদের সারগর্ভ আলোচনা সামনে আসছে না, বিতর্কিত বক্তাদের ভাইরাল আলোচনায় এসব আড়ালেই থেকে যাচ্ছে।গত দুই বছর ধরে দেশের নানান স্থানে মূলত ওয়াজ মাহফিলের বক্তারাই স্থানীয়ভাবে ইজতেমা বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

২০১৭ সালে ঢাকা জেলার ইজতেমার জন্য ডেমরা, সাভার, মিরপুর ও কেরানীগঞ্জসহ অন্তত ৫/৭ জায়গায় তাবলীগের সাথীরা ইজতেমার আয়োজন করে আলেমদের বাঁধার মুখে স্থান পরিবর্তন করেও ইজতেমা করতে পারেনি। কেবল ভিন্নমতের কারণে ইজতেমা বন্ধে তারা মসজিদের মিম্বর আর ওয়াজের স্টেজ থেকে জনগণকে উত্তেজিত করে প্রশাসনকে হেফাজতের শক্তি প্রদর্শনের হুঙ্কার দিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। কোথাও সাংবাদিক সম্মেলন, অবরোধ, বিক্ষোভ ও ঘেরাও এর মতো কঠিন কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন। তখনি মূলত ইজতেমার আয়োজকরা ধর্মীয় কাজে প্রসাশনের অনুমতি গ্রহণ ও ধারস্থ হওয়ার চেষ্টা করেছেন। কোথাও লাখ লাখ টাকা খরচ করে একটি জেলা ইজতেমার জন্য সুবিশাল আয়োজন করার পর স্থানীয় আলেমদের চাপে পড়ে প্রশাসন ইজতেমার মতো বৃহৎ আয়োজন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়। সেই থেকে এই প্রবণতা শুরু।
খাল কেটে কুমির আনার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে আজ সেসব বক্তাদের পথই সংকোচিত। বিধি আরোপ আর কোথাও বন্ধ হচ্ছে বিনা বাধায়ই। কারো কারো মাহফিল স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক দল প্রশাসনকে চাপ দিয়ে ইজতেমা বন্ধের মতো করেই বন্ধ করাচ্ছে। ভিন্নমতের জন্য ফ্যাসিবাদ্বী কায়দায় ধর্মীয় সভা বন্ধ করা আলেমরাই শিখিয়েছেন। আজ জোর গলায় আলেমরা বলছেন, বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক নেতা ও সংগঠন মাহফিলে বাধা দেয়া আইনকে হাতে তুলে নেয়া হচ্ছে! প্রশ্ন হলো, তাহলে আপনারা যখন পেশীশক্তি দিয়ে নিরীহ তাবলীগওয়ালাদের ইজতেমা বন্ধ করতেন, সেটি কী আইন হাতে তুলে নেয়া ছিল না?

আলেমরা তাবলীগের ইজতেমা যে কায়দায় বন্ধ করে উল্লাস করছিলেন, একই কায়দায় আজ ওয়াজ মাহফিলগুলো বন্ধ হচ্ছে। এটিই মূলত নিজেদের ভেতর অনৈক্য আর বিদ্বেষ ছড়ানোর ফল। আজ সবাইকে তা সমানভাবে ভোগ করতে হচ্ছে। পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে একে অপরের ধর্মীয় স্বাধীনতায় বিরোধিতা না করে ভালবাসা আর ঐক্যের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ করা সময়ের দাবি। নিজেরা ভিন্ন মতের জন্য একে অপরকে বাঁধা না দিলে হয়তো প্রশাসন খুব একটি বাঁধা দিবে না। তবে করোনাকালে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে মাহফিল করা উচিত।

একসময় এই তাফসির ও মাহফিলগুলোর মান এবং ঐতিহ্য ঠিক রাখতে জাতীয় মুফাস্সির পরিষদ, আন্তর্জাতিক সম্মেলন সংস্থা অভিজ্ঞ আলেমদের তত্ত্বাবধানে কাজ করতো। বিশেষ করে জাতীয় মসজিদের খতিব মাওলানা উবায়দুল হক ও ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসন্ধুরার মুফতি আব্দুর রহমান [রহ.] কাজ করতেন। ভারতের আধ্যাত্মিক রাহবর ফেদায়ে মিল্লাত মাওলানা স্যায়িদ আরশাদ মাদানী [রহ.] ও হযরত মাওলানা আবরারুল হক হরদুঈ [রহ.] প্রতিবছর বাংলাদেশে এলে এসব বিষয়ে আলেমদের ব্যাপকভাবে দিকনির্দেশনা দিতেন।

সময়ের পালাবদলে এসব বুজুর্গ ও বিচক্ষণ রাহবার আলেমরা গত হয়েছেন। তাদের শূন্যস্থানে যারা এসেছেন তারা ওয়াজ মাহফিলগুলোকে সেই মানে উন্নীত করতে পারছেন না। সম্প্রতি সময়ে এ নিয়ে জাতীয়ভাবে কাজ করছে ‘রাবেতাতুল ওয়ায়েজীন বাংলাদেশ’ নামে একটি সংগঠন। সম্প্রতি তারা ঢাকার মুহাম্মদপুরে তাবলীগের মারকাজ মসজিদে সারাদেশের মাহফিলের বক্তাদের নিয়ে একটি ইসলাহি মাহফিল করেন।

যেখানে তাবলীগের ইজতেমায় আমরা কোন ছবি তুলতে দেখিনা বয়ানকারীকে, সেখানে এই তাবলীগী মারকাজ মসজিদে অসংখ্য ভিডিও ক্যামেরায় মসজিদ প্রেসক্লাবে পরিণত হয়েছিল। যা সোস্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছে। অনেকেই বলেছেন, আমাদের মসজিদগুলোর একটি ঐতিহ্য আছে। মাহফিলগুলোর একটি ধর্মীয় মেজাজ আছে। এটিই ধর্মীয় মেজাজের সাথে বেমানান। এখন কথা হলো, যারা মাহফিলের বক্তাদের লাগাম টানবেন, প্রশিক্ষণ দিবেন তারা যদি আর সতর্ক, তাকওয়াবান এবং দ্বীনী মেজাজ অনুযায়ী সহনশীল না হন, তাহলে কখনো মাহফিলগুলোকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা বা ঐতিহ্য সমুন্নত রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে অনেকেই মনে করেন।

করোনা পরবর্তী সময়ে মাহফিলগুলোতে লোক সমাগমের বিষয়ে প্রশাসন কড়াকড়ি করছে। অনেক জায়গায় লাখ লাখ টাকা খরচ করে মাহফিলের সকল আয়োজন সম্পন্ন করার পরে স্থানীয় প্রশাসন এসে তা বন্ধ করে দিচ্ছে। মাহফিলগুলো বন্ধে মাদরাসার ছাত্র শিক্ষক ও আয়োজকগন এতো বেশি কষ্ট পাচ্ছেন যে, তারা কান্নায় ভেঙ্গে পড়ছেন। সারাদেশের আলেমরা মাহফিলের দ্বার উন্মুক্ত করতে সরকারকে অনুরোধ করছেন। গত কয়েকদিন আগে ঢাকার যাত্রাবাড়ি মাদরাসা থেকে সরকারের প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়াজ মাহফিলের উপর বিধি-নিষেধ তুলে দেয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদনও করেছেন। আল্লামা মাহমুদুল হাসান ও আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ সাহেবের নেতৃত্ব আলেমরা সম্প্রতি সময় সরকারের সাথে বৈঠক করেও এ বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন। এই সময় ব্যাপকভাবে এই মাহফিলগুলো করতে না পারায় আলেমসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আমরা আশা করব, রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ, সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানের মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই শীতের মৌসুমে ওয়াজ মাহফিল ও তাবলীগের সকল ইজতেমা শর্তহীন উন্মুক্ত করে দেয়া হোক।

Facebook Comment





© All rights reserved © 2020 TabligNewsBD.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com