রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২০, ০৩:২৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম ::
জুবায়েরপন্থীদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবী জানালেন হক্কানী উলামায়ে কেরাম মাদ্রাসাদস্যুদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য দেওবন্দের নতুন মুহতামিম মাওলানা মুহাম্মাদ ক্বারী উসমান মানসুরপুরী ১৫ অক্টোবর থেকে খুলছে দারুল উলুম দেওবন্দসহ উত্তরপ্রদেশের মাদরাসাগুলো পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় মাওলানা ড. আদিল খান  শহীদ হয়েছেন তাবলীগ ইস্যুতে দেওবন্দের খেলাফ যে কাজ হয়েছে বাংলাদেশে তাবলীগ নিয়ে অপপ্রচারে তীব্র ভর্ৎসনা ভারতীয় শীর্ষ আদালতের তাবলিগ মামলায় মোদী সরকারের সমালোচনায় সুপ্রিম কোর্ট মসজিদ আল হারামের শিক্ষক শায়খ মুহাম্মাদ বিন আলী আর নেই চলে গেলেন হৃদয়রাজ্যের আরেক বাদশা
তাবলীগ নিয়ে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের স্পষ্টকরণ (ভিডিওসহ)

তাবলীগ নিয়ে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের স্পষ্টকরণ (ভিডিওসহ)

তাবলীগ নিউজ বিডিডটকম |  আল্লামা ফরীদ উদ্দীন  মাসঊদ ও তার সহচর কয়েকজনের ফাঁসির দাবি নিয়ে যখন সোশ্যাল মিডিয়াসহ সর্বত্র সরব একশ্রেণির আলেমগণ। মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮ রোববার বাদ মাগরিব, জামিআ ইকরা বাংলাদেশ মিলনায়তনে বক্তব্যে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ বলেন,দারুল উলুম দেওবন্দের উলামায়ে কেরাম কখনো সমাজে ফিতনা ছড়ায় না। আমাদের দেশে এখন যারা ফেতনার মূল চাবিকাঠি তারা দেওবন্দ যায়নি, গিয়েছেন পাকিস্তান। আর পাকিস্তানের জন্ম ফেতনার উপর। তারা সবসময় ফেতনা ছড়াবে। আমাদের বাংলাদেশে যারা ফেতনা ছড়াচ্ছে, মিথ্যা প্রচার করছে আমি তাদের নাম ধরে ধরে বলতে পারি। তারা কোথা থেকে পড়ে এসেছে এটা সবার জানা। কিন্তু তারা দেওবন্দের নাম প্রচার করে বেড়ায়, তাদের অন্তরে বিন্দুমাত্র দেওবন্দের প্রতি ভালোবাসা নেই।

 

আমি আমার সাক্ষাৎকারেও বলেছি, টঙ্গির ইজতেমার মাঠে এই হাঙ্গামা-মারামারির পিছনে তৃতীয় পক্ষের হাত আছে। এই তৃতীয় পক্ষই হলো জামায়াতে ইসলামী। যারা আমার ভাষা বুঝে তারা তখনই বুঝে নিয়েছে, আমি তৃতীয় পক্ষ বলে কাদেরকে বুঝিয়েছি। আমি নির্বাচনে তাদেরকে বর্জন করার আহ্বান জানিয়েছি, তাই মানুষের দৃষ্টি এখন জামায়াতের দিকে। তারা টঙ্গীতে এই ঘটনা ঘটিয়ে মানুষের দৃষ্টি তাদের থেকে সরিয়ে নিয়েছে। আর এই হাঙ্গামা-মারামারি দোষ আমার এবং ইকরার উপর চাপিয়ে দিয়েছে। তাই তারা প্রচার শুরু করেছে, ফরীদ মাসঊদের ফাঁসি চাই। ফরীদ মাসঊদের ফাঁসি চাই। কিন্তু তাদের এই বিষয়টা সব উলামায়ে কেরাম বুঝতে পারে না, যেমনিভাবে সব ডাক্তার সব রোগ ধরতে পারে না।ব্যাপারটা হলো এখন টঙ্গীতে ইজতেমার মাঠে যে ঘটনাটা হয়েছে, ওই ঘটনায় দুই পক্ষর মাঝেই জামায়াতে ইসলামীর চেহারা বদলেছিল। যেমনটা মোনাফিকরা জঙ্গে জামালে করেছিল।

 

আমরা কিছুদিন আগে একাদশ নির্বাচনে জামায়াত ইসলামীকে বর্জন করার জন্যে একটা আহ্বান জানিয়েছি। তোমরা তো সেটা শুনেছো। নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামির ২২ জন দাঁড়িয়েছে, যদি একজনও পাশ করে আসে, তাহলে সারা পৃথিবীতে তারা প্রচার করবে আমরা ঠিক আছি। বিরোধিতা করে আমাদের কিছু করা যাবে না। সে টার্গেটেই তারা এগোচ্ছে।

 

Facebook Comment





© All rights reserved © 2020 TabligNewsBD.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com