শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম ::
হাটহাজারী মাদরাসা বন্ধ ঘোষনা এক আল্লাহ জিন্দাবাদ… হাটহাজারী মাদরাসায় ছাত্রদের বিক্ষোভ ভাঙচুর : কওমীতে নজিরবিহীন ঘটনা ‘তাবলিগের সেই ৪ দিনে যে শান্তি পেয়েছি, জীবনে কখনো তা পাইনি’ তাবলীগের কাজকে বাঁধাগ্রস্থ করতে লাখ লাখ রুপি লেনদেন হয়েছে: মাওলানা সাইয়্যেদ আরশাদ মাদানী দা.বা. (অডিওসহ) নিজামুদ্দীন মারকাজ বিশ্ব আমীরের কাছে বুঝিয়ে দিতে আদালতের নির্দেশ সিরাত থেকে ।। কা’বার চাবি দেওবন্দের বিরোদ্ধে আবারো মাওলানা আব্দুল মালেকের ফতোয়াবাজির ধৃষ্টতা:শতাধিক আলেমের নিন্দা ও প্রতিবাদ একান্ত সাক্ষাৎকারে সাইয়্যেদ আরশাদ মাদানী :উলামায়ে হিন্দ নিজামুদ্দীনের পাশে ছিলেন, আছেন, থাকবেন তাবলীগের হবিগঞ্জ জেলা আমীর হলেন বিশিষ্ট মোহাদ্দিস মাওলানা আব্দুল হক দা.বা.
আবারো প্যাড ও স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ধরা খেলো ওজাহাতিরা। প্রমাণাদি সহ

আবারো প্যাড ও স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ধরা খেলো ওজাহাতিরা। প্রমাণাদি সহ

ইবনে আবদে রাব্বিহী; তাবলীগ নিউজ বিডিডটকম। দেওবন্দের নাম ব্যবহার করে বাংলাদেশের আবেগপ্রবণ মানুষের সাথে বারবার প্রতারণা করে আসছে একটি চিহ্নিত মহল। নিজেদের মিথ্যা, জালিয়াতী ও অপকর্ম ঢাকতে তারা বারবার দেওবন্দের নাম ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত প্রতিনিধি দলের দেওবন্দ যাওয়ার সিদ্ধান্তে ভড়কে যায় এই কুচক্রী মহলটি। কিন্তু দেওবন্দ কর্তৃপক্ষ এই ফাঁদে পা না বাড়িয়ে তাদের বক্তব্য সাফ জানিয়ে দেয় এবং বাংলাদেশী বিপথগামী আলেমদের দায় নিতে অপারগতা প্রকাশ করে।

দেওবন্দের অপারগতা প্রকাশের সংবাদটি ছড়িয়ে পড়লে হতাশা নেমে আসে মূলধারা থেকে বিচ্যুত ওজাহাতি মহলে। বিভিন্ন জায়গা থেকে ফোন আসতে থাকে ঢাকার ওজাহাতি রাঘোব-বোয়ালদের কাছে। উপায়ান্ত না দেখে তারা আবারো জালিয়াতির আশ্রয় নেয়। প্রবাদ আছে “চোর চুরি করে পালিয়ে গেলেও আলামত রেখে যায়”। ওজাহাতিরাও জালিয়াতি করে এমন কিছু আলামত রেখে গেছেন যা ব্যাখ্যাতীত। সচেতন মহলে ব্যপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলেও কিছু ভূঁইফোঁড় অনলাইন পত্রিকা এসব মিথ্যা ও জালিয়াতিকে সত্য প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। উত্তরার এক ওজাহাতি প্রতারকের সূত্রে কথাটি চালিয়ে দিলেও জনগণ তা ঘৃণাভরে প্রত্যাক্ষান করে। নিচে তার দু’টি প্রমাণ দেওয়া হচ্ছে।

১। প্যাড জালিয়াতি

জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ একটি প্রাচীন ও প্রতিষ্ঠিত সংগঠন। এমন একটি সংগঠনের অফিসিয়াল প্যাডে স্বয়ং সংগঠনের নামেই ভুল থাকবে তা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অথচ প্যাডের লেটারহেডে সংগঠনটির ইংলিশ বানান রয়েছে এমনঃ Jamiat Ulama-i-Hind.

অথচ প্যাডের একদম নিচে মাওলানা আরশাদ মাদানীর স্বাক্ষরের নিচে সংগঠনটির নাম লিখতে গিয়ে ‘জালিয়াতির প্রমাণ’ রেখে গেছে। লেখা রয়েছেঃ Jamiat Ulam-i-Hind. অর্থাৎ প্যাডের লেটারহেডে Ulama থাকলেও স্বাক্ষরের নিচে লেখা হয়েছে Ulam. এত বড় একটি সংগঠনটি নিজের নামটি লিখতে গিয়ে এতবড় ভুল করতে পারে, এটা কোনভাবেই বোধগম্য নয়।

২। স্বাক্ষর জালিয়াতি

আলোচিত ‘আমন্ত্রণ পত্র’তে আরশাদ মাদানীর স্বাক্ষরও জালিয়াতি করা হয়েছে। নিম্নে প্রদত্ত দেওবন্দের ফতোয়ার স্বাক্ষর ও জালিয়াতিপত্রের স্বাক্ষর দু’টি একটি মিলিয়ে দেখুন।

জালিয়াতিপত্রে আরশাদ মাদানীর জাল স্বাক্ষর

দেওবন্দের প্যাডে আরশাদ মাদানীর আসল স্বাক্ষর

এবার দেখুন, দেওবন্দের ফতোয়ায় মাওলানা আরশাদ মাদানীর প্রকৃত স্বাক্ষর। যা সরাসরি দেওবন্দের ওয়েবসাইটে ঢুকেও যাচাই করে নিতে পারবেন। ওয়েবসাইট থেকে দেখতে মাওলানা সা’দ কান্ধলভীকে নিয়ে দেওবন্দের ফতোয়ার লিঙ্কটি দেওয়া হলোঃ http://www.darulifta-deoband.com/home/ur/Dawah–Tableeg/147286

এই জালিয়াতীর ব্যপারে জিজ্ঞাসা করলে মূলধারার একজন হক্কানী আলেম বলেনঃ সূরা বনী ইসরাইলের ৮১ নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে “সত্য এসে গেলেই বাতিল ধ্বংস হয়ে যাবে।”

এই জালিয়াতিটি কুরআনের এই আয়াতের বাস্তবায়নেরই অংশবিশেষ। নিঃশেষে বিলীন হওয়ার পূর্বমূহুর্তে হিতাহিত জ্ঞানশূণ্য ‘বাতিল সম্প্রদায়’ শেষ রক্ষাকবচ হিসেবে চিঠিটি জালিয়াতি করেছিলো। কিন্তু কুরআনের বাণী অনুযায়ী শেষ রক্ষা হলো না মিথ্যাবাদীদের।

Facebook Comment





© All rights reserved © 2020 TabligNewsBD.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com