বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৯, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন

মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে নিয়ে মুফতী আব্দুল মালেকের জঘন্য মিথ্যাচার প্রমানসহ (অডিও রেকর্ড )

মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে নিয়ে মুফতী আব্দুল মালেকের জঘন্য মিথ্যাচার প্রমানসহ (অডিও রেকর্ড )

মাওলানা আহমদ জামিল

মুফতি আব্দুল মালক সাহেব (দাঃবাঃ) কর্তৃক আলোচিত “হযরত মাওলানা সাদ কান্ধলভী (দাঃবাঃ) এর রুজু ও অনন্য বিষয়ে অপবখ্যার জবাব। মুফতী আব্দুল মালেক সাহেব কি বলছেন? আর আসল বয়ান কি ছিল!

## মুফতি আব্দুল মালেক সাহেব (দাঃবাঃ) –

এরপর আবার যখন এদেশে ইজতেমা ঘনাল, তখন উনি নিজাম্মুদিনের হায়াতুস সাহাবার মজলিসে, দেশে আসার পর কাকরাইলে দুইবার রুজু করেছেন, মুসা আলাইহিস সালামের ব্যাপারে। গুলমুল রুজু। কেউ যদি এই রকম বলে থাকে তার রুজু করা উচিত, আমি যদি এই রকম বলে থাকি আমার রুজু করা উচিত।

এই ধরনের ভাষায়, কিন্তু ভুলটা কি বলেছেন, এটা যে ভুল, এটা ঘোষণা দেওয়া আর সহী কথা কি এগুলো কিচ্ছু না। এ মুসা আলাইহিস সালামের এর ব্যাপারে আলোচনা করতে গিয়ে এই রকম ভুল হয়ে যায়। কারো যদি এই রকম ভুল হয়ে যায়, তার রুজু করা উচিত, আমারো রুজু করা উচিত, এই ভাবে বলেছেন। নিজাম্মুদিনে ও, কাকরাইলে ও, তাও যাক বলেছেন …… বলেছেন।

** হযরতজী মাওলানা সাদ সাহেব (দাঃবাঃ) –

বিভিন্ন সময়ে বয়ান সমূহে, এমন জিনিস এসেছে যেখানে যে কোনো ভাবে হোক, মামুলি কথার মধ্যেও, আম্বিয়া আলাইহিমুস সালামের আজমত, তাদের নিষ্পাপত্ত্ব ও উনাদের মর্যাদার, মাকামের খেলাফ হয়ে যায়, যেভাবে আমি আরজ করেছি।

আমার দ্বারা নানা জায়গায় বিভিন্ন বয়ানে মুসা আলাইহিস সালামের ঘটনায় বিশেষ করে উনার ইনফেরাদি/ ব্যক্তিগত ইবাদতে মশগুল হওয়া সম্পর্কে বয়ান হয়েছে।

সে যে কথায় হোক, যা দ্বারা আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম এর অত্যন্ত উঁচু মর্যাদা, নিষ্পাপত্ত্ব এবং আম্বিয়া আলাইহিমুস সালামের কামের উপর রাই এর দানা বরাবর যে কোন ভুল, গলতি বা এর সামান্য সন্দেহ প্রকাশ পায় তাহলে সব সময়ে রুজু করা চায়…. হামেশা রুজু করা চায়।

ওই ঘটনায় যেহেতু নিশ্চিত ভাবে এই দিকে ধ্যান আসে যে, নাউযুবিল্লাহ মুসা আলাইহিস সালাম স্বজাতি থেকে চলে যাওয়ার কারণে ওনার জাতি গোমরাহ হয়ে যায়। এগুলো ভবিষ্যতে বয়ান করা বা এই খতার ভুলের পক্ষে দলিল পেশ করা চাই না। বরং সব সময় এই ধরনের কথা পরিহার করা চাই।

বরং এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই যে, আম্বিয়া আলাইহিস সালাম উনাদের অর্পিত দুটি দায়িত্ব তথা দাওয়াত ও ইবাদত পূর্ণভাবেই আদায় করতেন। দুই ক্ষেত্রেই পুরা চেষ্টা করতেন। এ কথার সামান্যতম সন্দেহ আসা ঠিক না যে –

খোদা না করুন তাদের এক আমলের চেষ্টার কারণে, অন্য এক ক্ষেত্রে তাদের ক্ষতি হয়েছে, এটা সম্ভব নয় ! না!

এইজন্য বয়ানের মধ্যে কোথাও এ ধরনের কথা এসে থাকে, আমি তার থেকে রুজু করছি এবং এ ব্যাপারে অন্যদেরও সর্তকতা অবলম্বন করা চায়।

সাহাবায়ে কেরাম ফতোয়া দেয়ার ক্ষেত্রে কত সতর্ক থাকতেন বা কোন বিষয়ে উত্তর দেয়ার ক্ষেত্রে কতই না সর্তকতা অবলম্বন করতেন। দ্বিতীয় কথা হল, এ কথার সমর্থন বা এ কথা প্রমান করার কোনো চেষ্টা করা, এটিও একটি ভুল। যা ভুল তার সর্বস্থায় ভুল। সুতরাং

এইসব বিষয়ে বিশ্বাসগত (এতেকাদানা) ও স্বীকারোক্তিমূলক (কাওলান) উভয় দিক থেকেই রুজু করা চাই।

শুনেন, মুয়াজ ইবনে জাবাল (রাঃ) কে সায়িদুল ওলামা বল হতো, সবচেয়ে বেশি হালাল হারাম সম্পর্কে জাননেওয়ালা।

বরং আমি আরজ করছি, আল্লাহ তাআলা উলামায়ে হককে উত্তম বিনিময় দান করুন। কেননা এ ধরনের ভুলের ক্ষেত্রে তারা দৃষ্টি আকর্ষণ করতে থাকেন।

সুতরাং একথা খুব ভালো করে স্মরণ রাখবেন, উলামাদের এমন দৃষ্টি আকর্ষণ করা বা সতর্ক করা নিজেদের জন্য মুহসিন, উপকারী মনে কর। উনাদের নিজের জন্য মুহসিন মনে কর। নিজেদের কথা প্রমাণ করতে যেয়ে তাঁদেরকে নিজেদের প্রতিপক্ষ মনে করা চরম মূর্খতা ও বোকামি।

ওলামাদেরকে সবসময় মুহসিন মনে করা। একথা সর্বজনবিদিত যে, যিনি ভুল ধরে দেন তাকে সব সময় অনুগ্রহকারী মনে করা উচিত।

খেয়াল করুন, যে অভিযোগ আনা হয়েছে অবস্থা তার বিপরীত। অর্থাৎ

১. মাওলানা সাদ সাহেব ভুল স্বীকার করেছেন।

২. কি ভুল তা উল্লেখ করেছেন।

৩. ভুলের ঘোষণাও দিয়েছেন।

৪. সঠিক কি তাও বলেছেন।

৫. অন্য কেউ যেন তা বয়ান না করে তাও বলেছেন।

৬. উলামাদের দায়িত্ব বলেছেন।

৭. তারা আমাদের মুহসিন তাও বলেছেন।

৮. যে নিজামুদ্দিনে উনি মুসা আলাই সালাম সম্পর্কে ফজরের বয়ান বলেছেন বলা হয়ে থাকে সেখানেই ইশার পর রুজু করলেন।

লিংক –

মুফতি আব্দুল মালক সাহেব (দাঃবাঃ) কর্তৃক আলোচিত

“আওরঙ্গবাদ ইজতেমাতে হযরতজী মাওলানা সাদ সাহেব(দাঃবাঃ) এর বিয়ের বয়ান”

## মুফতি আব্দুল মালেক সাহেব (দাঃবাঃ) –

এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে উনি (হযরত মাওলানা সাদ সাহেব দাঃবাঃ) বলেন কি রাসূলে করীম (সাঃ) সব সময় খেজুর দিয়ে ওয়ালিমা করেছেন। এ কথা ঠিক না। এটাও হাদীস বিরোধী কথা।

** হযরতজী মাওলানা সাদ সাহেব (দাঃবাঃ) –

অপব্যায় থেকে বাঁচ। বিয়েতে অপব্যায় থেকে বাঁচ। অপব্যায় যত বেশি হবে, কষ্ট তত বেশি হবে। হুযুর আকরাম সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকল বিয়েতে কখনো পনির খাইয়েছেন, কখনো খেজুর বন্টন করেছেন, কখনো খোরমা ছিটিয়ে দিয়েছেন। বলেছেন এটা ওয়ালিমার মজমা।চলবে…

Facebook Comment





© All rights reserved © 2019 Tablignewsbd.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com
error: Content is protected !!