শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৯, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশে এই প্রথম জুম্মার নামাজে আসতে বাঁধা প্রদান। মুসল্লীদের ক্ষোভ

বাংলাদেশে এই প্রথম জুম্মার নামাজে আসতে বাঁধা প্রদান। মুসল্লীদের ক্ষোভ

মাওলানা সুফিয়ান আহমদ,মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি, তাবলীগনিউজ বিডিডটকম|বাংলাদেশে এই প্রথম জুমআর নামাজ পড়তে হাজার হাজার মুসল্লীকে বাঁধা দেয়া হয়। ইজতেমা বিরোধিদের চাপে আজ শুক্রবার সকাল, ৯টা থেকে মুসল্লীরা জুমআার নামাজ পড়তে গেইটে ব্যারিকেড দিয়ে বাঁধা দেয় পুলিশ।

পুলিশের সাথে তাবলীগের মুরুব্বীরা বারবার যোগাযোগ করলে,তারা জানান, ইজতেমা বিরোধী আলেমরা মুসল্লী সেজে জুমআ পড়তে ময়দানে এসে বিশৃঙ্খলা করতে পারে এমন তথ্যের ভিত্তিতে তারা মুসল্লিদের ময়দানে জুমআর নামাজ পড়তে বাঁধা দিচ্ছেন। এসময় মৌলভীবাজার শহর ও বিভিন্ন থানা থেকে হাজার হাজার মুসল্লী জুমআর নামাজ পড়তে আসা শুরু করে, কিন্তু পুলিশের বাঁধার কারনে তারা নামাজ পড়তে পারেন নি।এতে মুসল্লীরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অনেকে বলেন, জুমআর নামাজ পড়তে মুসল্লিদের বাঁধা দেয়ার ঘটনা বাংলাদেশে এই প্রথম।

আজ মৌলভীবাজার জেলা ইজতেমা শত বাঁধা অতিক্রম করে আরম্ব করলে, গতকাল মাদ্রাসার ছাএদেরকে নিয়ে ডিসি অফিস ঘেরাও করা হয়।শহরের প্রধান সড়ক অবরোধ করে রেখে এবং ইজতেমা বন্ধে আলটিমেটাম দেয়া হয়।

এর পর থেকে পুলিশ আজকে ফজরের বয়ান করে মজমা ছেড়ে দিতে, রাত ৩টার সময় এএসপি ওসি এসে বলেন আপনারা সকাল ১০টার সময় ইজতেমা শেষ করবেন। ঘড়ির কাঁটায় কাটায় সকাল ১০টা এএসপি, ওসি ৫০/৬০ জন্য দাঙ্গা পুলিশ নিয়ে আসেন,এবং মাইকিং করে বলেন, আপনারা ময়দান খালি করেন,ওই সময় পুরো মজমা খুব এহতেমামের সাথে তালিম, দোয়ায় জমে ছিল। তখন তাবলীগের জিম্মাদার সাথীরা বলেন, জুমার নামাজের পড়ে দোয়া করে ইজতেমা শেষ হবে। কিন্তু পুলিশ কিছুই শুনবেই না, তাবলীগ সাথীরা বলেন, জুমার নামাজ না পড়ে মজমা শেষ করবনা।

জুমার নামাজের পরে মৌলভীবাজার জেলার ইজতেমা শেষ হয়েছে । দোয়া পরিচালনা করেন কাকরাই মার্কাজের মুকিম হযরত মাওলানা আবদুল্লাহ মনসুর সাহেব, দোয়ায় মুখরিত হয়ে উঠে পুড়া শহর। আমিন আমিন ধ্বনিতে কান্নার রোলে ভারী হয়ে উঠে পুরো ইজতেমা ময়দান।

Facebook Comment





© All rights reserved © 2019 Tablignewsbd.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com
error: Content is protected !!