শনিবার, ২৫ মে ২০১৯, ০৬:১৬ অপরাহ্ন

প্রয়োজন আরেকটি কওমী বিপ্লবের : সৈয়দ আনোয়ার আবদুল্লাহ

প্রয়োজন আরেকটি কওমী বিপ্লবের : সৈয়দ আনোয়ার আবদুল্লাহ

সৈয়দ আনোয়ার আবদুল্লাহ |তাবলীগ নিউজ বিডিডটকম | এক. কওমি মাদরাসা। আমাদের প্রাণের ঠিকানা। প্রেমের আশ্রয় স্থল। শিকড়ের গভীরতা। রক্তের সংমিশ্রন। আত্মার স্পন্দন বলা চলে। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হেরার জ্যোতির আলোকিত ভূবন। সাহাবাদের স্বর্ণালী চেতনার নববী ইলম চর্চার এক বাগিচা। দারুল উলুম দেওবন্দের চেতনা ফেরি হয় যেখানে। এখনো এদেশের কোটি কোটি মানুষের দ্বীনী পথচলার বাতিঘর।

 

আমি আমার কথা বলছি! আমার পূূর্বপুরুষের কথা বলছি। আমার আসাতিজায়ে কেরামের কথা বলছি। আমি আমার আকাবির- আসলাফদের কথা বলছি। আমাদের বুজুর্গদের রেখে যাওয়া আমানতের কথা বলছি।

 

যারা তিলে তিলে আকাবির, আসলাফদের মহান আমানতকে ধ্বংস করার সুগভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।  আজ তাদের বিরোদ্ধে আরেকটি গনমূখি আন্দোলন প্রয়োজন। প্রয়োজন আরেকটি কওমী বিপ্লবের। আবার ঢেলে সাজাতে হবে কওমী শিক্ষা, চেতনা আর তাহযীব তমদ্দুনকে।

 

দুই. আজ যারা নিজেদেরকে কওমীর রাহবার আর আকাবিরদের ঠিকাদার মনে করে কওমী অঙ্গনের মহান আমানতকে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য ব্যাক্তিগত প্যোপাটিজ ভাবতে শুরু করেছেন।

কথিত কিছু কওমী স্বার্থবাজশ্রেনী ও লুটোরোদের কাছে গোটা কওমী অঙ্গন জিম্মি। কওমীর পদ-পদবী আর খোতাব আজ তাগুতের কাছে বিলিয়ে তারা তৃপ্তির ঢেকুর তুলেন। তারা অমুককে কওমীর জনক তমুককে কওমীর জননী উপাধী দিয়ে গোটা কওমী মাদরাসার ইতিহাস -ঐতিহ্য, আমানত, স্বকীয়তাকে ধুলায় মিশিয়ে দিচ্ছেন। নিজেদের ব্যক্তিগত দুরবিসন্ধির টার্গেট বাস্তবায়নে এখন সহজ হাতিয়ার হিসাবে ব্যাবহার করছে কওমী চেতনাকে। তাদের নষ্টামি ও ভ্রষ্টতা দেখে আপনি কিছু বলতে চাইলেও বলতে পারবেন না, কারন তারা সব সময় নিজেদের সেভ করতে কওমী মাদরাসার ঠিকাদার হিসাবে  ঢাল হিসাবে সামনে মেলে ধরেন।

আর কওমী মাদীাসার নামে স্বার্থের বানিজ্যের প্রধান পুঁজি আজ মাদরাসার নিরিহ ২০লক্ষ ছাত্ররা। এরা কওমী মাদরাসার এই অবুজ ছাত্রদের শাপলা চত্তরে এনে ক্ষমতা দখলের উগ্র বয়ান দিয়ে এই নষ্টের দল বন্দুক, গ্যানেডের মূখে ফেলে রেখে রাতের আধারে পালিয়ে গিয়েছিল দেশ বিদেশে। এরাই আজ কওমীর নেতা, কওমের মহান আমানতের কথিত ধারক বাহক। আফসোস! শত আফসোস!!। গ্রাম থেকে আসা লক্ষ লক্ষ ত্বোলাবা যারা ঢাকার বায়ান্ন বাজার তিপান্নগলি চিনে না, তাদের গুলির মূখে ফেলে যারা পালায়ন করে সুপরিকল্পিত লাশের রাজনীতির হাতিয়ার হিসাবে, আর এই কওমী কলংদের বিরোদ্ধে আপনি কথা বললে আপনি হয়ে যাবেন কওমী বিরোধী!

 

তিন.আমার পূর্ব পুরুষের  কয়েক শতকের আমল থেকে এই মাদরাসা শিক্ষা পরিবারের বুনেদি শিক্ষা। এই প্রতিষ্ঠানের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত আমার দাদা পরদাদা ও পূর্বপুরুষগন। তাদের হাজার হাজার ছাত্র আজো আমাদের অঞ্চলে আছেন। আজ আমাদের এলাকায় একেকগ্রামে শতাধিক আলেম। একটি সময় এমন ছিল আমাদের বংশের মুরুব্বীগন ছাড়া অত্র অঞ্চলে তেমন কোন আলেম ছিলেন না।

 

নিজেও এই মকবুল কওমী আঙ্গিনাতেই বেড়ে উঠেছি। দেশের বড়বড় শায়খুল মাশায়েখদের সোহবত পেয়েছি শৈশব থেকে। মাদানী সিলসিলার সকল বুজুর্গদের আস্তামা ও আনাগোনা ছিল আমাদের বাড়িতে। বৃহত্তর সিলেটের সবচেয়ে প্রচীণ মাদরাসা ” বাহুবল কাসিমূল উলুম ট্রাইটেল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা আমাদের নিকঠআত্মীয় মাওলানা সৈয়দ ইসহাক রহ। দীদীর্ঘদিন মুহতামিম ছিলেন আমার দাদা উস্তাদুল উলামা মাওলানা তবারক আলী রহ। আমার আরেকদাদা দ্বীতিয় শাহজালাল খ্যাত মুজাররদ মাওলানা আব্দুল হামিদ রহ স্মৃতিবিজড়িত দেশের শীর্ষ কওমী মাদরাসা “জামেয়া মাহমুদীয়া হামিদনগর” আমাদের পারিবারিক জায়গায় অবস্থিত। মাদরাসার বানি ও প্রথম শিক্ষক আমার আব্বা সৈয়দ আব্দুল্লাহ দা.বা। বিশেষ করে দেওবন্দের মাদানী পরিবার ও কুতবে আলম মাদানী রহ. এর সকল খলিফাদের একটি সুতিকাগার ছিল আমাদের বাড়ি।

 

এসব কথা এজন্যই বললাম যে, তাদের চেতনাজুড়ে যে দেওবন্দিয়ত ও কওমি মাদরাসার কথা আমি শৈশব থেকে বারবার শুনেছি দেখেছি তার সাথে হালের কওমীঙ্গনের মিল খোঁজে পাওয়া দুস্কর। এমনকি আজকের অনেক কওমি সাদরাসা এমন হয়েছে যা পূর্বের আলীয়া মাদরাসাগুলো থেকেও তাকওয়া পরহেজগারীর ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে।আর মিল খোঁজে না পাওয়ার কারণেই আমরা যারা ঘুনেধরা প্রচলিত কওমী অঙ্গনের সংস্কার নিয়ে কথা বলি। কথা বলি অন্যায়, অমিয়ম, দুর্নীতি আর অপকর্মের বিরুদ্ধে, সেই আমরা কথিত কওমীর ঠিকাদারদের কাছে তখন হয়ে যাই কওমী বিরোধী।

 

কয়কদিন আগে একজন বুজুর্গ আলেম বললেন, আলীয়া মাদরাসা এখন কলেজে রূপ নিয়েছে, আর কওমী আলীয়াতে পরিণত হচ্ছে। আলীয়া আর উলিয়ার বেড়াজালে আজ মাদরাসা শিক্ষা কোন পথে তা নতুন করক ভাবতে হবে। কওমী মাদরাসার সরকারী স্বীকৃতি আন্দোলনের নেতৃত্বে আমি শুরু থেকে নিবিড়ভাবে জড়িত ছিলাম। তখন স্বীকৃতি দিলে লাখ লাখ লাশ পড়ার বেফাকীয় হুংকারের কথা আজো মনে পড়ে। এজন্য রাজপথ থেকে মুরুব্বিদের দ্বারেদ্বারে কম ধরণা দেই নি, আর আবেগী কওমীয়ান হুজুগী উম্মাদ পোলাপানের কম গালি শ্রবন করি নি। কিন্তু স্বীকৃতির পর দেখা গেল, রাজপথের আনন্দ মুছিল আর মিষ্টিমুখে তারাই এখন নব্য ঠিকাদার। এরপর স্বীকৃতি নিয়ে ও হাইয়া নিয়ে আজ পর্যন্ত যা হয়েছে তাতে গোটাজাতি লজ্জিত  গোটাজাতি লজ্জিত ও কলংখিত।

 

একসময় কওমি ও আলীয়া নামে মাদরাসা শিক্ষার দুটি ধারা উপমহাদেশে তৈরি হয়েছিল। দুটি ধারার মাঝে মৌলিক বিরোধ ছিল নিজস্ব স্বকীয়তার প্রশ্নে। আজ একই প্রশ্নে খোদ কওমী মাদরাসার ভিতর দুটি স্রোত তৈরি হচ্ছে এবং তৈরি হতে বাধ্য হচ্ছে শ্বাসত ঐতিহ্যের স্বার্থেই। স্বকীয়তার প্রশ্নে তৃতীয় আরেকটি কওমীর বুনেদি ধারা তৈরি হওয়া সময়ের দাবী। প্রয়োজন নৈতিক এই অবক্ষয়ের মুহুর্তে আরেকটি কওমী বিপ্লবের। কওমী তরুণদেরকে নিয়ে আকাবির আসলাফের মহান আমানতকে রক্ষায় আবার ” কওমী বিপ্লব” এর মাধ্যমে ঘুরে দাড়াতে হবে আমাদের।

 

চার আজ খোদ কওমি মাদরাসার সাথে যারা নিবিড়ভাবে জড়িত, কওমি মাদরাসা কমিটির সদস্য, দাতা, শুভাকাংখী ও অভিভাবকরা ইদানিং উদ্বেগ্ন হয়ে বলছেন, স্বকীয়তার প্রশ্নে যে প্রতিষ্ঠান আপোষহীন ছিল তারা আজ চরমভাবে স্বকীয়তা হারাতে বসেছেন নানান কারনেই। ফলে নিজ সন্তানদের গদবাধা কওমী মাদরাসায় পড়ানো নিয়ে তাদের পেরেশানীর শেষ নেই।

 

এছাড়া অনেক পরহেজগার খোদাভীরু তাকওয়াবান আলেম বিকল্প স্বকীয়তার প্রশ্নে আপোষহীন কিছু কওমি মাদরাসা নানান স্থানে ইতোমধ্যে খোলা শুরু করেছেন। এটি যেমন আশার কথা, নীড়ে ফেরার কথা, তেমনি এতে রয়েছে প্রচলিত অধিকাংশ মাদরাসার স্বকীয়তা বিনষ্টের শঙ্কাবহ হাতছানির ব্যথা। এতে ক্রমশ উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছেন অভিভাবকগণ। কেন স্বকীয়তার প্রশ্নে দুই ধারা তৈরি হচ্ছে একই অঙ্গনে? কোন পথে হাটছেন আমাদের জমহুর আলোমরা বাংলাদেশের অধিকাংশ কওমি মাদরাসা নিয়ে? এসব প্রশ্নের উত্তর একদিকে যেমন লজ্জজনক তেমনই ভয়ানক।

 

তবে আজো যে কিছু কওমি মাদরাসা তার বুনেদী ঐতিহ্য আর সত্যিকারের স্বকীয়তার উপর নেই তা কিন্তু নয়।  সংখ্যায় হয়তো কম। তবে তারা আকড়ে আছেন কওমীর মূল চেতনা  বনেয়াদী ঐতিহ্যের ধারা। হয়তো সাধারন দ্বীনদ্বার অনেক অভিভাবক খোঁজে পান না তাদের কাংখিত ‘গুলিস্তান’টি। অধিকাংশ কওমি মাদরাসা আকাবির আসলাফ ও দেওবন্দ আন্দোলনের মূলধারা থেকে ক্রমশ দুরে সরে যাচ্ছে। অনলাইন অফলাইনে একটা উগ্র চরমপন্থী তরুন সমাজ বের হয়ে আসছে সেখান থেকে। তারা আকাবিরদের মতো শীতল মস্তিষ্কের আলেম না হওয়ার ফলে, তাদের থেকে ক্রমশ বিচ্ছিন্ন হচ্ছে মুসলিম সমাজ। এটাই আজ কঠিন এক বাস্তবতা। আমার সাথে এ অঙ্গনের প্রেমময় অধিকাংশ মানুষ একমত হলেও যারা কওমি মাদরাসার শত বছরের স্বকীয়তাকে বিনষ্ট করে, নিজের স্বার্থসিদ্ধির একমাত্র মাধ্যম বানিয়েছেন, তারা নিশ্চয় চটে যাবেন। কিন্তু এটাই বাস্তবতা।

 

কওমী মাদরাসা ও দারুল উলুম দোওবন্দ প্রতিষ্ঠার মূল স্পিড থেকে বাংলাদেশের অধিকাংশ কওমী মাদরাসাগুলো দূরে সরে গেছে।  ১৪০০ হিজরীতে দারুল উলূম দেওবন্দের শতবার্ষিকী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে মুফাক্কিরে ইসলাম আল্লামা সায়্যিদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. একটি যুগান্তকারী বক্তব্য পেশ করেছিলেন। সে ভাষণে তিনি দেওবন্দের বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, দেওবন্দের বৈশিষ্ট্য হল চারটি।

 

“এক: এ দরসগাহের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এ দরসগাহ মতনৈক্যকে পেছনে ফেলে তাওহীদ এবং সুন্নতের উপর নিজের দৃষ্টি রাখবে। আর এটা এমন ওয়ারাছাত এবং আমানত, যা শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী, শাহ ইসমাইল শহীদ এবং সায়্যিদ আহমদ শহীদ এর ওসীলায় এ প্রতিষ্ঠান পেয়েছে এবং এখন পর্যন্ত শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে আছে।

 

দুই: সুন্নাতের অনুসরণের জযবা এবং ফিকির থাকতে হবে।

 

তিন: আল্লাহর সাথে সম্পর্ক তৈরি করার ফিকির, যিকির এবং গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার জযবা থাকতে হবে।

 

চার: আল্লাহর কালেমা বুলন্দীর জযবা থাকতে হবে এবং চেষ্টা করতে হবে। এ চারটি শিরোনাম যার মধ্যে থাকবে, সে দেওবন্দি। যদি এর মধ্যে কোন একটি কমে যায়, তাহলে সে পূর্ণ দেওবন্দি নয়”। (কারওয়ানে জিন্দেগী, ৩/৩১০-৩১১)

 

এ প্রসঙ্গে কারী তায়্যিব সাহবে রহ. এর বক্তব্য অবশ্যই বেশ চমৎকার । তিনি বলেন, উলামায়ে দেওবন্দের গুণ হল ‘দিলে দরদমন্দ, ফিকরে আরজুমন্দ, যবানে হুশমন্দ’। অর্থাৎ তারা হবেন দরদী হৃদয়, সমুন্নত চিন্তা এবং সুপ্রাজ্ঞ ভাষার অধিকারী”।

পাঁচ. কিন্তু দুঃখের বিষয় দেওবন্দের বৈশিষ্ট্য থেকে আজ এদেশের কওমী অঙৃগম কত দূরে। বিভক্তি আর মতানৈক্য আজ হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়ায় কিছু লেবাসধারী স্বার্থবাজ কওমির ঠিকাদারদের কারণে। হাইকোর্ট থেকে কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডকে ভৎসনা শুনতে হয়। তবুও লজ্জা হয় না চালবাজির এই কওমী নেতাদের।

এবছর ৩০হাজার কওমী তরুণ দাওরায়ে হাদীস পরিক্ষা দিবে। কিন্তু প্রশ্ন হল বর্তমান সময়ের প্রচলিত কওমি মাদরাসা তাদের কি দিয়েছে আর তার কি, এলম, আর্দশ ও চেতনা লালন করতে পেরেছে। শতকারা কতটি ছিল ভাল করে হাদীসের এবারত পড়তে পারবে? তিশ হাজারের মধ্যে কতোটি ছেলে হাদীসের কিতাব পড়াতে পাড়বে?

কতজন তরুণ আলেম তরজমাতুল কুরআনে পারদর্শী হয়েছে। কতোটি ছেলে আজকের কওমী মাদরাসা থেকে তাকওয়া নিয়ে বের হচ্ছে। কতোটি দাওরায়ে হাদীস পাশ আলেম দায়ীয়ানা মেজাজ, প্রশিক্ষন ও তরবহয়ত নিয়ে বের হচ্ছেন?

 

কতজন দাওরা পাস আলেম আজ সমাজ পরিবর্তনের জিহাদে নিজেদের বিলিয়ে দিতে পারছে? কতজন তরুন কলমি খেদমতে যুগের চ্যালেঞ্জ মুকাবিলায় নিজেকে মেলে ধরতে পারবে গোটা উম্মাহর সামনে। কতজন আলেম আজ তায়াল্লুক মাআল্লার অধিকারী হচ্ছে? আল্লাহর কাছ থেকে নিয়ে উম্মতের মাঝে আকাবিরদের মতো বিলাতে পারছে?  কতজন আলেম আজ আলেম হয়ে সমাজ বিপ্লবের স্বপ্ন দেখছে। দায়ী ইলাল্লাহ হয়ে তৃষ্ণার্ত্ব  উম্মাহর পিপাসা মেঠাতে সক্ষম হবে??? সর্বোপরি  উলামায়ে দেওবন্দের গুণে ‘ কতজন হচ্ছেন দরদী হৃদয়, সমুন্নত চিন্তা এবং সুপ্রাজ্ঞ ভাষার অধিকারী”। উত্তর আসবে ০ শূন্য পারসেন্ট।  সেই শূন্য পূরণে এবার প্রয়োজন ঘুরে দাড়ানোর। নতুন কওমী বিপ্লবের?

 

Facebook Comment





© All rights reserved © 2019 Tablignewsbd.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com
error: Content is protected !!