রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম ::
আল্লামা শফীর ইন্তেকালে আরশাদ মাদানীর শোক আল্লামা আহমদ শফী রহ. এর মাগফিরাত কামনায় সাভারের মারকাজুল উলুমে বিশেষ দোয়া আল্লামা শফীর ইন্তেকালে মাহমুদ মাদানীর শোক আল্লামা শাহ আহমদ শফীর ইন্তেকালে জাতীয় কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড এর শোক হাটহাজারী মাদরাসা বন্ধ ঘোষনা এক আল্লাহ জিন্দাবাদ… হাটহাজারী মাদরাসায় ছাত্রদের বিক্ষোভ ভাঙচুর : কওমীতে নজিরবিহীন ঘটনা ‘তাবলিগের সেই ৪ দিনে যে শান্তি পেয়েছি, জীবনে কখনো তা পাইনি’ তাবলীগের কাজকে বাঁধাগ্রস্থ করতে লাখ লাখ রুপি লেনদেন হয়েছে: মাওলানা সাইয়্যেদ আরশাদ মাদানী দা.বা. (অডিওসহ) নিজামুদ্দীন মারকাজ বিশ্ব আমীরের কাছে বুঝিয়ে দিতে আদালতের নির্দেশ
যেসব কারণে রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে

যেসব কারণে রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে

অনলাইন ডেস্ক, তাবলীগ নিউজ বিডিডটকম

রোজা হলো একটি ইবাদত, যা মুসলমানের জন্য একটি অপরিহার্য ইবাদত হিসেবে গণ্য।

ইসলামে রোজা মানে হলো— নিয়তের সঙ্গে নির্ধারিত পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট সময়ে রোজা ভঙ্গকারী বিষয় থেকে বিরত থাকা। ফকিহগণ বলেন, সুবেহ সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার এবং সেই সঙ্গে যাবতীয় যৌনকর্ম থেকে বিরত থাকার নাম রোজা। (তাহাবি, আহমদ ইবনে ইবরাহিম)

তবে অসুস্থতাসহ বিভিন্ন অপারগতার কারণে অনেকে রোজা রাখতে পারেন না।

ইসলামী শরিয়তে প্রাপ্তবয়স্ক সকল মুসলিমের রোজা রাখা ফরজ হলেও বিশেষ কয়েকটি অবস্থায় রোজা না রাখারও অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে এসব কারণে রোজা ছাড়লেও পরে তা কাজা করতে হবে।

যেসব কারণে রমজানে রোজা ছাড়ার অনুমতি রয়েছে। আসুন সে বিষয়গুলো জেনে নিই-

১। সফর- যদি কেউ শরিয়ত সম্মত সফরে থাকে তা হলে তার জন্য রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে; তবে তা পরে কাজা করে নিতে হবে। কিন্তু সফরে যদি কষ্ট না হয়, তা হলে রোজা রাখাই উত্তম। আর যদি কোনো ব্যক্তি রোজা রাখার নিয়ত করার পর সফর শুরু করেন, তা হলে সে দিনের রোজা রাখতে হবে।

২। অসুস্থ রোগী- অসুস্থ রোগী রোজা রাখলে যদি তার রোগ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বা অন্য কোনো নতুন রোগ দেখা দেয়ার আশঙ্কা হয় অথবা অসুস্থতা সারতে বিলম্বিত হওয়ার শঙ্কা হয়, তা হলে এমন অসুস্থ ব্যক্তির রোজা না রাখার অনুমতি আছে। তবে সুস্থ হওয়ার পর রোজাগুলো কাজা করে নিতে হবে।

তবে অসুস্থ অবস্থায় রোজা ছাড়তে হলে কোনো অভিজ্ঞ দীনদার চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। অথবা নিজের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। শুধু নিজের কাল্পনিক খেয়ালের বশীভূত হয়ে আশঙ্কাবোধ করে রোজা ছাড়া জায়েজ হবে না। এভাবে রোজা না রাখলে কাজা ও কাফফারা উভয়টা ওয়াজিব হবে।

৩। রোগ মুক্তির পর যে দুর্বলতা থাকে তখন রোজা রাখার দ্বারা যদি পুনরায় রোগাক্রান্ত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা হয়, তা হলে রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে, পরে কাজা করে নিতে হবে।

৪। গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী স্ত্রীলোক রোজা রাখলে যদি নিজের জীবনের ব্যাপারে বা সন্তানের জীবনের ব্যাপারে কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে বা রোজা রাখলে দুধ শুকিয়ে যাবে আর সন্তানের সমূহ কষ্ট হবে- এমন নিশ্চিত হলে তার জন্য রোজা ছাড়া জায়েজ, রাখতে না পারা রোজাগুলো পরে কাজা করে নিতে হবে।

৫। হায়েজ বা নেফাস অবস্থায় রোজা ছেড়ে দিতে হবে এবং পবিত্র হওয়ার পর কাজা করে নিতে হবে।

Facebook Comment





© All rights reserved © 2020 TabligNewsBD.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com