মঙ্গলবার, ২৫ Jun ২০১৯, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন

শতবাঁধা উপেক্ষা করে শেষ হল তিনদিন ব্যাপি টাঙ্গাইল জেলা ইজতেমা

শতবাঁধা উপেক্ষা করে শেষ হল তিনদিন ব্যাপি টাঙ্গাইল জেলা ইজতেমা

ষ্টাফ রিপোর্টার,টাঙ্গাইল তাবলীগ নিউজ বিডিডটকম

কথিত জমহুরদের বাঁধা উপেক্ষা করে প্রসাশনের বন্ধ ঘোষনাকে উপেক্ষা করে খোলা আকাশের নিচে তিনদিন সফলভাবে টাঙ্গাইল জেলা ইজতেমা সফল হয়েছে। আজ দুপুরে আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।

টাংগাইল জেলার মির্জাপুর থানার কুতুব বাজার সংলগ্ন কান্ঠালিয়ায় ইজতেমার ময়দান নির্বাচন করা হয়।টাংগাইল জেলা প্রশাসকের কাছে দরখাস্ত করার পর, স্থানীয় এমপি মহোদয় বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব একাব্বর হোসেন এই ইজতেমার মাঠের কাজের উদ্ভোদন করেন।এই সময় স্থানীয় কাউন্সিলর ও নেতারা সহ মূলধারার তথা নিজামুদ্দীনকে মার্কাজ হিসেবে মেনে চলনে ওয়ালা তবলীগের মুরুব্বীরাও উপস্থিত ছিলেন।
মাত্র দুই দিনের সর্ট টাইমেই সাথীরা কুরবানীর সাথে মেহনত করে ইজতেমার জন্য ময়দান তৈরী করে।

এর ভিতরেই অজাতি ও হেফাজতীরা গুটিবাজি শুরু করে। গুটিবাজি করে কয়েক দফা পুলিশ পাঠিয়েও আমাদের তবলীগের সাথীদের কাজের মাঝে কোন ব্যাঘাত ঘটাতে পারেনি।আবার ঐ দিকে প্রশাসন, অজাতি ও হেফাজতীদের মানব বন্ধন করতে দেয় নি। এ যাত্রায় তারা হবিগঞ্জের মত মিথ্যা বক্তৃতা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

ঠিক সময়েই ময়দান প্রস্তুত হয়ে যায়। যথা নিয়মে আমাদের সাথীরা বুধবার সকাল ১০ টা থেকেই সাথীরা বিভিন্ন এলাকা থেকে জামাত নিয়ে আসা শুরু করে।বৃহস্পতিবার ফজরের আগেই আমাদের বেশীর ভাগ সাথী ময়দানে উপস্থিত হয়। কিন্তু যে সমস্ত সাথীরা ফযরের পর রওয়ানা হয় তাদেরকে প্রশাসনের লোক মেইন রোড থেকে ইজতেমার ময়দানে ডুকার রাস্তায় প্রবেশ করতে বাধা প্রদান করে,অজাতি ও হেফাজতীদের গুটিবাজির কারনে।

পরবর্তীতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয় যে, আমাদের ইজতেমা, মাদ্রাসার ময়দানে করা হলে প্রশাসন আমাদের বাকি সাথীদের ময়দানে ডুকতে দিবে। আরও কিছু শর্ত আরোপ করে।মুরুব্বীরা সব দিক বিবেচনা করে বৃহস্পতিবার সকালের বয়ানের পর উপস্তিত ফায়সালা করেন, ইজতেমা মাদ্রাসার ময়দানেই হবে এবং সাথীদের সাথে সাথেই ময়দানে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিলে, সাথীরা ঘন্টা খানেকের মাঝেই ময়দান পরিবর্তন করে। মাদ্রাসার মাঠ ও সাথেই থাকা প্রাইমারী স্কুলের মাঠ মুহূর্তেই ভরপুর হয়ে যায়। এমনকি ময়দান ইজতেমার জন্য যোহর নামাজের আগেই প্রস্তুত হয়ে যায়।সেই এক আজিব অবস্থা। যা সাথীদের হিম্মত আর কাজের জোশ, ঢাকা জেলার ইজতেমার কথা স্মরন করিয়ে দেয়।

বৃহস্পতিবার সকালে কাকরাইল থেকে আসা ১০ জনের জামাত থেকে মুফতি উসামা সাহেব জোহরের নামাজের পর বয়ান শুরু করেন।সাথীরা প্রচন্ড গরমের মাঝেও ময়দানে বসে সাথীরা বয়ান শুনে।

এর মাঝেই বগুড়া থেকে হাফেজ অজীউল্লাহ সাহেব সহ বগুড়া শুরাদের এক জামাত এসে উপস্থিত হয়। উনারাও কাকরাইলের জামাতের সাথে পরামর্শ মোতাবেক বয়ান, তশকিল ও তরগীব মূলক বয়ান রাখেন।আর আমাদের সাথীরাও প্রচন্ড গরমে সেই সব বয়ান আগ্রহের সাথে শুনে তশকিল হতে থাকেন।

শুক্রবার সকাল ১১ টার সময় দুয়া হওয়ার ফায়সালা হয়। দুয়ার পূর্বে একটি বিবাহ সুন্নত তরিকার পড়ানোও হয়। এরপর ১১.১২ মিনিটে দুয়া শুরু হয়ে প্রায় ১৫ মিনিট আখেরী মোনাজাত হয়।

Facebook Comment





© All rights reserved © 2019 Tablignewsbd.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com
error: Content is protected !!