বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন

তাবলীগের মূলধারার অনুসারীদের সংবাদ সম্মেলন : জমি দখল পরিকল্পনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি

তাবলীগের মূলধারার অনুসারীদের সংবাদ সম্মেলন : জমি দখল পরিকল্পনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর তাবলীগ জামাতের মারকাজ মসজিদ ও মাদ্রাসার জমি দখলের পরিকল্পনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাবলীগ জামাতের মূলধারার শুরু শুরা সদস্যদের আয়োজনে গতকাল রোববার প্রেসকাব যশোরে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে মোঃ ্ইয়ামিনুর রহমান বলেন, পঞ্চাশ বছর অবধি যশোর জেলার মারকাজ মসজিদ তৈরী ও মাদ্রাসার জমি কেনাসহ সকল কাজের আনদাম দিয়ে আসছেন দিল্লীর নিজাম উদ্দীন মারকাজের অনুসারী যশোর জেলার দাওয়াত ও তাবলীগের সাবেক আমির শহীদুল ইসলাম। তারই ধারাবাহিকতায় এযাবৎক্লা পুরাতন ও নতুন মসজিদের ভবন ও মাদ্রাসা ভবনসহ শিক্ষাকদের বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য সকল খরচাদি যোগান দিয়ে আসছেন হাজী মোঃ ওবায়দুল হক, ইঞ্জিনিয়ার খাইরুল আলম ও হাজী রেজাউল ইসলাম। কিন্তু পাকিস্তানপন্থী জোবায়ের গ্রুপ/ওলামায়ে কেরামপন্থী মশিয়ার রহমানের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ দীর্ঘদিন যাবৎ মসজিদ ও মাদ্রাসার মেহনতের নামে মাদ্রাসার বিরাট অংশের খালি জায়গাটি দখল নেয়ার পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন।
এ লক্ষ্যে গত ১৪ জুন পূর্ব নির্ধারিত মাদ্রাসার বার্ষিক ছাত্র ভর্তির দিন। ভর্তি নীতিমালা অমান্য করে মশিয়ার রহমানের নেতৃত্বে লোকমান হোসেন, নজরুল ইসলাম, সিয়াম, মাওলানা আনোয়ার করিম, মাওলানা নাসিরুল্লাহ, মুফতি মুজিবুর রহমান, নাজমুল হোসেন, মাওলানা আজাহার, মুফতি মাকসুদ, মুফতি মাজেদুল হকসহ অনেকেই জোরপূর্বক নতুন ও পুরাতন ছাত্র ভর্তি করেন। এমনকি, তারা মাদ্রাসার জন্য বছরের মুহতামিম আব্দুর রহমান এবং মাদ্রাসা পরিচালনা পরিষদের মূল শুরা হাজী ওবায়দুল হকের অনুমতি ছাড়াই ছাত্র ভর্তির কার্যক্রম চালান। এই অবৈধ ভর্তি বাতিলের জন্যে শুরা ও তাবলীগের নিরীহ সাথীগণকে সন্ত্রাসীদের দিয়ে হুমকি দেন।
এমতাবস্থায় উভয়পক্ষের সাতজন শুরা সদস্য মহল্লার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সিদ্ধান্তে মাদ্রাসা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর জেলা প্রশাসক উভয়পক্ষের শুরা সদস্যদের নিয়ে বসার সিদ্ধান্ত নিলেও তারা বসতে রাজি হননি। ৫ জুলাই তারা জুমার নামাজের পর মসজিদের খাদেম আবুল হাশেমকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করে আটকে রাখে। পরে তারা মাদ্রাসার গেট ও সকল কাসরুমের তালা ভেঙে ও তান্ডব চালিয়ে দখল করে নেন। কিন্তু পরদিন ৬ জুলাই প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাদের হাত থেকে মাদ্রাসা ও জমি পুনরুদ্ধার করেন।
তিনি আরও বলেন, মশিয়ার রহমান মাদ্রাসার পশ্চিম পাশে তার ব্যক্তিগত দারুত তাররিয়াহ মাদ্রাসাকে প্রতিষ্ঠিত করতে মরিয়া। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বসে আছেন মাদ্রাসার জায়গা দখল করে সিয়ামকে দিয়ে গাড়ির শোরুম করার জন্য। তিনি জমি দখলের পরিকল্পনাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- শুরা সদস্য আব্দুল বারী, সাথী হুমায়ুন কবির, অ্যাড. ইফতেখার হোসেন, মুজিবুর রহমান, হাবিবুর রহমান, আব্বাস হোসেন প্রমুখ।

Facebook Comment





© All rights reserved © 2019 Tablignewsbd.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com
error: Content is protected !!