বুধবার, ০৩ Jun ২০২০, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন

কোমলমতি মাদরাসার ছাত্রদের ঢাল হিসাবে ব্যবহারের প্রবণতা এখনি রুখতে হবে

কোমলমতি মাদরাসার ছাত্রদের ঢাল হিসাবে ব্যবহারের প্রবণতা এখনি রুখতে হবে

সায়েম আহমদ, প্রতিবেদক, তাবলীগ নিউজ বিডিডটকম | আগামী ৩০ শে নভেম্বর থেকে টংগী ময়দানে তাবলীগের মুলধারার পুরাতন সাথীদের ৫ দিনের জোড় শুরু হবে ইনশাআল্লাহ। এই জোড়ের  তারিখ ফয়সালা করেন গত জানুয়ারিতে কাকরাইল মসজিদে সারা দেশের জিম্মাদার সাথীদের সামনে আলমী আমীর হযরতজি মাও সাদ সাহেব দাঃবাঃ।

 

এই জোড়ের কামিয়াবির জন্য সারা দেশে সাথীরা দিন রাত মেহনত, দোয়া, কান্নাকাটির সাথে সাথে শত শত ৭/১০ দিনের জামাত প্রত্যেক জেলায় চলছে। অনেক সাথী আসেন যারা ৫ কাজ, মসজিদ আবাদী থেকে দূরে সরে আছেন। তাদের সাথে মোলাকাতের কারনে তারা আবার কাজের সাথে জুড়ে যান। করাইলের পক্ষ থেকে আমাদের বড়রা জেলায় জেলায় সফর শুরু করেন, এমনকি একই দিনে কয়েক জেলাও সফর করেছেন।  সাথী ভাইদের মা বোনদের জোড়ের কামিয়াবির জন্য রোজা রেখে দোয়ার এহতেমাম করছেন।আমাদের এই ৫ দিনের জোড়ের এই মেহনতের উদ্দেশ্য হল আগামী ১১, ১২, ১৩ জানুয়ারী টংগী বিশ্ব ইজতেমা কামিয়াবী হয়।

 

আমাদের এই জোড় কামিয়াবী হওয়ার জন্য যখন সাথীরা মেহনত করছে তখন পাকিস্তানপন্থী  মহল্লা থেকে মহল্লা, ওয়াজ মাহফিল, জুমুয়ার খুতবা, এমনকি টংগী আগামী ৩০ শে নভেম্বর থেকে টংগী ময়দানে তাবলীগের মুলধারার পুরাতন সাথীদের ৫ দিনের জোড় শুরু হবে ইনশাআল্লাহ। এই জোড়ের তারিখ ফয়সালা করেন গত জানুয়ারিতে কাকরাইল মসজিদে সারা দেশের জিম্মাদার সাথীদের সামনে আলমী আমীর হযরতজি মাও সাদ সাহেব দাঃবাঃ।

এই জোড়ের কামিয়াবির জন্য সারা দেশে সাথীরা দিন রাত মেহনত, দোয়া, কান্নাকাটির সাথে সাথে শত শত ৭/১০ জামাত প্রত্যেক জেলায় চলছে। অনেক সাথী আছএন যারা ৫ কাজ, মসজিদ আবাদী থেকে দূরে সরে আছেন। তাদের সাথে মোলাকাতের দরকাবারা তারা আবার কাজের সাথে জুড়ে যান। করাইলের পক্ষ থেকে আমাদের বড়রা জেলায় জেলায় সফর শুরু করেন, এমনকি একই দিনে কয়েক জেলাও সফর করেছেন।  সাথী ভাইদের মা বোনদের জোড়ের কামিয়াবির জন্য রোজা রেখে দোয়ার এহতেমাম করছেন।

 

আমাদের এই ৫ দিনের জোড়ের এই মেহনতের উদ্দেশ্য হল আগামী ১১, ১২, ১৩ জানুয়ারী টংগী বিশ্ব ইজতেমা কামিয়াবী হয়। আমাদের এই জোড় কামিয়াবী হওয়ার জন্য যখন সাথীরা মেহনত করছে তখন পাকিস্তানপন্থী কিছু শূরা ও ধর্ম ব্যবসায়ী কিছু আলেম (ওলামায়ে সু) তারা মহল্লা থেকে মহল্লা, ওয়াজ মাহফিল, জুমুয়ার খুতবা, এমনকি টংগী ময়দান দখলে রাখার জন্য বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।

গত বুধবার রাতে জে,এ,সি ছাত্র সহ একটি জামাত মিরপুর রুপনগর কেন্দ্রীয় মাদ্রাসা মসজিদে  আসে। ওই জামাতে যে,এ,সি ছাত্র ছিল ৮ জন  তারা সবাই নতুন আর পুরাতন সাথী ছিল ৩ জন এই জামাত যখন মসজিদে প্রবেশ করবে এমতাবস্থায় মসজিদের ইমাম,মাদ্রাসার একজন শিক্ষক ও অনেক ছাত্র মিলে জামাতকে মসজিদে ঢুকতে বাধা দেয়। তারা জামাত নিয়ে মসজিদে ঢুকতে পারছিল না এরপর  স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও মসজিদ কমিটির লোকেরা এসে জামাতকে মসজিদের ভিতরে থাকার অনুমতি দেয়। ইমাম সাহেবকে স্হানীয় লোকজন বলে আপনি সবার ইমাম আপনি কেন নিজেকে বিতর্কিত করছেন।

 

তারা বলে চলে গেলে ইমাম সাহেব সহ মাদ্রাসার শিক্ষকরা বুধবার রাত থেকে নতুন রাজনীতি শুরু করে মাদ্রাসার ছাত্রদের দিয়ে জামাতে সাথীদের বিভিন্ন রকম হুমকি ধমকি  ভয়ভীতি দেখায় যার ফলে  কোমলমতি ছাত্ররা যারা নতুন দাওয়াতি কাজে এসেছিল তারা মনঃক্ষুণ্ণ হয়ে যায় এবং তারা আফসোস প্রকাশ করে।

 

কিন্তু মাদ্রাসার ছাত্ররা ক্লাম্ত না হয়ে বৃহস্পতিবার সকালে জামাতে মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে বলে সাথীরা বের না হওয়ায় তারা এক পর্যায়ে ছাত্র ওস্তাদ ক্লাস বন্দ করে মসজিদের সামনে মিছিল শুরু করে দেয় মাদ্রাসার ভিতর এবং তারা অশ্লীল অশ্রাব্য ভাষায় ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করতে থাকে এবং তারা ক্লাস বর্জনের ডাক দেয় ফলে মসজিদ ও মাদ্রাসার ভিতর বিশৃংখল পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

 

এরপর তারাই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করে আবার থানায় খবর দেয় থানা থেকে পুলিশ এসে তাদেরকে অনুরোধ করে যে আপনারা ক্লাসে ফিরে যান কিন্তু তারা বলতে থাকে যতক্ষণ এই জামাত মসজিদ থেকে বের না হবে আমরা ক্লাসে যাবো না। এক পর্যায়ে পুলিশ ব্যর্থ হয়ে জামাতের সাথীদেরকে অনুরোধ করে যে আপনারা তো মান্নেওয়ালা  আপনারাই দয়া করে মসজিদ ত্যাগ করুন।আল্লাহ এদেরকে বুঝ দিবে এই দোয়া করে যান।

পরে জামাতের সাথীরা পরামর্শ করে পার্শ্ববর্তী মহল্লায় চলে যান। এই যে কোমলমতি ছাত্ররা ও পুরাতন তিন-চারজন সাথী মিলে যে কাজ করল এদের ধারণা কি হবে।  তারা মাদ্রাসার ছাত্র সম্বন্ধে নেতিবাচক ধারণা নিয়ে গেল মূলত নতুন নতুন ছাত্ররা যারা তাবলীগের নতুন এসেছিল তারা ইসলাম সম্বন্ধে আল্লাহ না করুক কুধারণা এসে না যায়। মাদ্রাসার ছাত্র ও এই সকল কতিপয় ওলামায়ে কেরামের এই কার্যাবলীর দ্বারা মূলত এই দাওয়াতের আজিমুশান কাজের ক্ষতি হচ্ছে।

 

 

তাই সরকার ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কে অনুরোধ করবো অতি দ্রুত তাদের এই কাজের বিরুদ্ধে অবস্থান কে প্রতিহত করা হোক ও তাদেরকে উপযুক্ত ভাবে দমন করা হোক ইতিমধ্যে আরেকটি গোপন ষড়যন্ত্র তারা করেছে তা হল টঙ্গী ইজতেমা ময়দান ৩০ তারিখ থেকে দাওয়াতে তাবলিগের মুল ধারার ৫ দিনের জোড় শুরু হবে এই জোড়কে রাজনৈতিক কায়দায় নস্ট করার জন্য গত ১৯ তারিখ পাকিস্তানপন্থী শুরার  কিছু লোক একটি গোপন টংগী এস্তেমা মাঠের টিনসেটে একটি বৈঠক করে যেখানে প্রতিটি মাদ্রাসার নাজেমে তালিমাত ও মুহতামিম সাহেব রা অংশগ্রহণ করেন সেখানে তারা মাদ্রাসা ভাগ ভাগ করে টংগী ময়দান পাহারা দেয়ার জন্য নীল নকশা অংকন করা হয়।

 

যার মূল উদ্দেশ্য হলো মূল ধারার দাওয়াতে তাবলীগের সাথীদের তিন চিল্লার, এক চিল্লা তিন চিল্লা ও সালের আলেমদের জোরকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য টঙ্গী মাঠে তারা মাদ্রাসা থেকে হাজর হাজার হাজার ছাত্র এনে মাঠ দখল করে রাখা। এ জন্য নীল নকশা করছে যেখানে বাংলাদেশ প্রায় ৩ লক্ষ সাথী আছেন যারা তিন চিল্লা দিয়েছেন ও আলেম রয়েছেন যারা তিন চিল্লা, চিল্লা, সাল দিয়েছেন

এই সকল পুরাতন সাথীদের জোর যা পূর্ব থেকেই নির্ধারিত সেই জোরকে বাধাগ্রস্ত করে করে তারা এই দেশের জনগণ হিসেবে ধর্মীয় স্বাধীনতাকে খর্ব ও ক্ষুন্ন করতে চাচ্ছেন।

 

যা সংবিধান পরিপন্থী আল্লাহ না করুক এই কোমলমতি মাদ্রাসার ছাত্ররা পুরাতন সাথীদের এই, ৩ লক্ষের  লোকের মজমাকে  বাধা দিতে গিয়ে যদি কোন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এর দায়ভার কে নিবে তাই আমরা সরকারের আশু পদক্ষেপ কামনা করছি। আর এই সকল ছাত্রের গার্জিয়ানদেরকেও বলছি আপনারা নিকটস্থ থানায় এই সকল মাদ্রাসার ছাত্রদেরকে যারা এই সকল কাজে অপব্যবহার করছে তাদেরকে ব্যাপারে অবহিত করুন।

 

আল্লাহ না করুক তাদের এই বদ নিয়তের কারণে ছাত্রদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। স্বয়ং দেওবন্দ যেখানে গত আগস্ট-১৭ ইং মাসে তাদের অবস্থানকে পরিষ্কার করেছে তারা ইমারত পন্থি শুরা পন্থী উভয় দলের কাছ থেকে সমান ভাবে দুরে থাকার ঘোষনা দিয়েছেন। এমনকি তারা দেওবন্দের ছাত্রদেরকে তাবলীগের সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ছাত্রদের মাদ্রাসার ভিতর সব ধরনের তাবলীগের কাজ থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেন। সেখানে আমাদের দেশে কতিপয় উলামায়ে সু পাকিস্তান পন্থী সূরা পন্থীদের পক্ষ নিয়ে মারকাজে মারকাজে রক্তের বন্যা বইয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে এবং হানা হানি মারামারি শুরু করে দিয়েছে যার ফলে শান্তি প্রিয় এই নবীওয়ালা কাজ আজ হুমকির সন্মুখে হয়েছে।

দাওয়াতের এই কাজের এহেন অপূরণীয় ক্ষতির মাশুল কে দিবে। যেখানে দেওবন্দ তাদের ছাত্রদেরকে ব্যবহার করছেন না এমনকি তারাও করো পক্ষ নিচ্ছেন না সেখানে বাংলাদেশে দেওবন্দের নাম কে অপব্যবহার করে দেওবন্দের মুখোশধারী  ব্যবলল ছু তারা বিভিন্নভাবে উস্কানি দিয়ে পুরানা সাথীদের জোড় ও ইজতেমাকে যা টঙ্গির ময়দানে হওয়ার কথা বানচাল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠছে যা এখনই রুখে না দিলে ভবিষ্যতে  আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরম অবনতির আশঙ্কা করছি।

ছবি,ট্রাক ভরে ঢাকার একটি মাদরাসার ছাত্রদের নেয়া হচ্ছে ওজাহাতি সবার  মূল পুঁজি  হিসাবে

Facebook Comment





© All rights reserved © 2020 TabligNewsBD.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com
error: Content is protected !!