শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ০৫:৩০ অপরাহ্ন

৩০নভেম্বর টঙ্গির ময়দানে ৫দিনের জোড় সফল করতে মূলধারা তাবলীগের ব্যাপক প্রস্তুতি

৩০নভেম্বর টঙ্গির ময়দানে ৫দিনের জোড় সফল করতে মূলধারা তাবলীগের ব্যাপক প্রস্তুতি

  • বিশেষ প্রতিনিধি,তাবলীগ নিউজ বিডিডটকম  | প্রতিবছরের ন্যায় তাবলীগের ৩চিল্লার সাথী ও ১চিল্লার  উলামাদের ৫দিনের জোড় আগামী ৩০নভেম্বর থেকে ৫ডিসেম্বর যথা সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। কাকরাইল মসজিদের আজ এখবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

জোড়ে বাংলাদেশ তাবলীগ জামাতের মূলধারার ৬লক্ষ ৩চিল্লার সাথী অংশ গ্রহন করবে বলে জানা যায়। জোড়কে সফল করতে সারাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ৭/১০দিনের জামাত চলছে। যারা পুরাতন সাথীদের কাছে গাশত ও জোড়ের দাওয়াত প্রদান করছেন।

৩০নভেম্বর থেকে নিজামুদ্দিনের অনুসারী তাবলীগ জামাতের মূলধারার সাথীদের ৫দিনের জোড়  অনুষ্ঠিত  হবে। তারা যাথে টঙ্গি ময়দানে প্রবেশ করতে না পারে এজন্য দুদিন করে ঢাকা শহরের তিনটি হালকার সকল মাদরাসার ছাত্রদের দিয়ে ৫ডিসেম্বর পর্যন্ত মাঠে সশস্ত্র পাহারা বসানো হয়েছে। বিষয়টি বারবার প্রসাশনকে জানানো হচ্ছে তারা যেন মাঠ ত্যাগ করে।

কাকরাইল মার্কাজের মূলধারার তাবলীগের আহলেশুরাগন সারাদেশের জিম্মাদার সাথীদের নিয়ে ৫দিনের জোড় কামিয়াব করার লক্ষ্যে  ও জোড়ে আসার ব্যাপারে ৬৪জেলার তাবলীগের সাথীদের সর্বশেষ প্রস্তুতি নিয়ে এক বিশেষ পরামর্শ  সভা সম্পন্ন করেছেন  । এতে আগামী ৩০নভেম্বর  ৫দিনের জোড় যথাসময় করার ঘোষনা করা হয়।

জোড়কে সফল করতেে কাকরাইল মসজিদ থেকে বিভিন্ন মজমের জামাত ইতোমধ্যে  তৈরি করা হয়ে।

 

৫দিনের জোড় নিয়ে অনেকের মাঝে কৌতূহল থাকে। আমাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন, জোড় কি, এখানে কি হয় কত লোক হয়?

তিন চিল্লার পুরানো সাথী ও উলামা হযরতদের নিয়ে টঙ্গির তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে প্রতিবছর ৫দিনের জোড় ইজতেমা অনুষ্টিত হয়ে থাকে।

 

বিশ্ব ইজতেমার মাকসাদ হিসাবে বড়রা বলেন, আল্লাহর রাস্তায় খুরুজ ও আম হেদায়তের ফিকর উম্মতের মধ্যে বাড়ানোর জন্য উমুমি আয়োজন। তবে কাজ বাড়ার কারনে বাহ্যিক দৃষ্টিতে জোড়ও এখন ইজতেমার আদলে বেশ বড় পরিসরে কয়েকলক্ষ মোবাল্লিগ ও আলেমদের মজমা হয়ে থাকে।

 

আর জোড়ে মূলত বিশ্বব্যাপি দাওয়াতের কাজ নিয়ে চলনেওয়ালা মুবাল্লীগদের ইসলাহি ফিকির, তরবিয়ত, হুসনে আখলাক, মোয়ামেলাম, মোয়াশারাত, ইজতেমায়িত, তায়াল্লুক মায়ল্লাহ এবং দাওয়াতের কাজের নেহেজ এবং উসুল ও তরতিব নিয়ে বিষয় ভিত্তিক আলোচনা হয়ে থাকে।

 

ইজতেমাতে যে সব আলমি জিম্মাদারগন আসেন তারা মূলত ৫দিনের জোড়ে আসেন না। জোড়ে আসেন দাওয়াত ও তাবলীগের আধ্যাত্মিক মুরুব্বী ও সবোর্চ্চ নীতি নির্ধারক বয়োজষ্ট আকাবিরগন। এক সময় আসতেন, হযরতজী মাওলানা ইউসুফ রহ, মুব্বিলীগে ইসলাম মাওলানা উমর পালনপুরী রহ. মদীনা শরীফের জিম্মাদার তাবলীগের ইমাম গাজ্জালী খ্যাত মাওলানা সাঈদ খান রহ ও নিজামুদ্দিন মারকাজে মুরুব্বীগন।

 

কাকরাইল মসজিদ সূত্রে জানা গেছে এবছরও নিজামুদ্দিন মারকাজের শীর্ষ মুরুব্বী উলামায়েকেরামের জামাত ৫দিনের জোড় অংশ নিবেন এবং বাংলাদেশের তাবলীগের সাথীদের উদ্দেশ্যে কোরআন হাদসের আলোকে দাওয়াতের কাজের তরতীব ও উসুল নিয়ে ইসলাহী বয়ান করবেন।

 

জোড়ের প্রথম দুদিন বাংলাদেশের ৬৪জেলার নির্ধারিত চকে পুরন করে মহল্লাহ থেকে এনে জমা দিতে হয়। মিম্বরে সংগ্রহিত প্রতিটি জেলার কাজের হালত -কারগুজারী মাইকে জেলার আহলে শূরারা বলে থাকেন। নানান স্থরে বিভিন্ন প্রশ্নের আলোকে সমস্যার সমাধান ও কাজের সহি নেহেজ এবং তরবিয়ত বড়রা বলে দেন। জোড়ের সবচেয়ে বড় মুগ্ধকর বিষয় কাজের হালত ও বয়ানের সময় দেশ-বিদেশের সকল মুরুব্বিরা বসা থাকেন। তারাও পরামর্শের উপর নিজ ডায়রিতে প্রযোজনীয় নোট তৈরি করেন। ৫দিন পর দোয়ার আগে সারা দেশের কাজের পরিসংখ্যান, আগামি বছরের টার্গেট এবং জোড় থেকে পাওয়া বড়দের ফায়সালা সমূহ পড়ে শুনানো হয়। সুপরিকল্পিত কাজের ক্ষেত্রে একটি আত্মিক, ইজতেমায়িত, ও সাংগঠনিক ভীত তৈরিতে জোড়ের ভুমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

 

এজন্য বড়রা বলেন, পুরানো কাজের সাথীরা জোড়ে উপস্থিত থাকা বেশি জরুরী এবং গুরত্বদিয়ে থাকেন।

Facebook Comment





© All rights reserved © 2020 TabligNewsBD.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com
error: Content is protected !!