বৃহস্পতিবার, ১৮ Jul ২০১৯, ১২:৪৭ অপরাহ্ন

মাওলানা সাদ সম্পর্কে আরশাদ মাদানী ঢাকার আলেমদের যা বলে গেলেন (ভিডিও সহ)

মাওলানা সাদ সম্পর্কে আরশাদ মাদানী ঢাকার আলেমদের যা বলে গেলেন (ভিডিও সহ)

নিউজ ডেক্স,তাবলীগ নিউজ বিডিডটকম | ঢাকা |
গত সাপ্তাহে বাংলাদেশে এসেছিলেন দেওবন্দের মাওলানা সৈয়দ আরশাদ মাদানী দা.বা। সারা দেশের আলেম উলামা ও দ্বীনদ্বার মানুষের মাঝে একটি কৌতূহল ছিল তিনি তাবলীগ জামাতের চলমান সংকটে কিছু বলবেন। মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে নিয়ে বাংলাদেশে আলেমদের কট্টর অবস্থান সম্পর্কে দারুল উলুম দেওবন্দের অবস্থানের ওজাহাত করবেন। তিনি এক কাছ মজলিসে এনিয়ে ঢাকার উলামাদের সাথে কিছু কথোপকথন করেছেন , তা হুবহু পাঠকের জন্য তুলে ধরা হল।

কথোপকথন সময়ঃ ১৬, নভেম্বর ২০১৮ শুক্রবার বাদ ফজরঃ

আরজাবাদ মাদরাসা থেকে পরীবাগ হাজী আব্দুল মান্নান সাহেবের বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন। নাস্তা থেকে ফারেগ হয়ে, বিশ্রাম করেন, গোসল করেন। ১০:১৫ মালিবাগ মাদরাসার সেক্রেটারী হারুন সাহেবের বাসায় দোয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। ১০:৩০ এ পৌছেন।

সেখানে দেশবরেন্য ওলামায়ে কেরামের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বেফাকের সহ সভপতি শাইখুল হাদীস মাওলানা আশরাফ আলী (01819898361) । আরজাবাদ মাদরাসার মুহতামীম মাওলানা ফুয়াদ। সিলেটের শায়খে কৌওরিয়ার ছেলে হাফিয মুহসিন (01715004574)। জামিয়া শরইয়্যাহ মালীবাগের একাধিক মুহাদ্দিস। চৌধুরীপাড়া মাদরাসার শায়খে সানি আব্দুর রহমান সাহেব (8801635143303) ও আরো উলামাগন উপস্থিত ছিলেন।

মাওলানা আশরাফ আলীঃ ! সাদ সাহেবের মাসলার কি হলো ?

মাওলানা আরশাদ মাদানীঃ কি মাসলা? কোন মাসলাই নাই। তাবলীগের কাম ঠিক ঠাক চলছে।

হাফেয মুহসিনঃ আমাদের এখানেতো মাসলা অনেক বড় হয়ে গেছে।

মাওলানা আরশাদ মাদানীঃ মাসলা বড় বানানো হয়েছে। কি মাসলা? কোন মাসলাই না।

হাফেয মুহসিনঃ জি। ঠিক। বড় বানানো হয়েছে।

মাওলানা আরশাদ মাদানীঃ (আশরাফ আলী সাহেব কে লক্ষ্য করে বলেন) মাওলানা সাব, আমাদের কারোর সাথে কোন এখতেলাফ নেই। না মাওলানা সাদ সাহেবের সাথে। না মাওলানা যোবায়ের সাহেবের সাথে। মাওলানা সাদ সাবের একটা কথার ব্যপারে দারুল উলুমের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিলো যে, এই কথাটা কেমন? দারুল উলুম ফতোয়া দিয়েছে যে, খারাপ। ভালো নয়। ব্যাস, কথা শেষ।

যোবায়ের সাব যদি কোন কাজ খারাপ করেন। আর মাসলা জিগ্যেস করা হয়, তাহলে তার ব্যপারেও দারুল উলুম বলবে।

এটা একটা ফালতু কথা যে, দারুল উলুম এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। এই মাসলা আজকের নয়। অনেক পুরোনো। মুস্তাফতি আসতো। ফতোয়া দেয়া হোতো না। যখন তাদের মধ্যে এখতেলাফ হলো। তখন মাদরাসার মধ্যেও এখতেলাফ হলো। কিছু মাদরাসা এই পক্ষ হলো। কিছু মাদরাসা ঔ পক্ষ হলো।

দারুল উলুমের হাত-পা তো মাদরাসাই। তারাই বলল ( যেমন করাচীর সালীমুল্লাহ খান সহ অন্যন্যরা) ভাই! ফতোয়া দাও। দারুল উলুম আছে কিসের জন্যে? তখন ফতোয়া দিতে হলো।

এখন লোকেরা দারুল উলুমকে বলছে, রুজু করো। রুজু করার অর্থ লোকেরা বুঝছে না। মাওলানা সাদ সাহেব এক কথা বলেছেন। তা থেকে রুজু করেছেন। এ কথা জানিয়ে দিলেন যে, আমি এ কথা ভুল বলেছিলাম, আমি এর থেকে রুজু করছি। এটা হলো রুজুর অর্থ।

দারুল উলুম ফতোয়ার ব্যপারে রুজু করুক। এর অর্থ হচ্ছে, আমরা প্রথমে যে ফতোয়া দিয়েছিলাম, তা ভুল ছিলো। এখন ছহি করে ফতোয়া দাও। তো দারুল উলুমতো কোন ভুল কথা বলেনি। কেন রুজু করবে?

ভাই, আপনি এ থেকে রূজু করেছেন। ভালো কথা। রুজূ করাই কাম্য ছিলো। দারুল উলুম এ বিষয়ে না আগে জড়িত ছিলো। না আজ জরিত আছে। এটা একটা খামাখা কথা যে, দারূল উলুম এতে জরিত।

আমরা চাই যে, তাবলীগি জামাত ফলদার, ফুলদার হোক, বৃদ্ধি পাক। আমাদের বড়দের জামাত। এ কাজ নিয়ে আমাদের কি এখতেলাফ হতে পারে?

Facebook Comment





© All rights reserved © 2019 Tablignewsbd.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com
error: Content is protected !!