বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৩০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম ::
হাটহাজারী মাদরাসার সামনে পুলিশের সতর্ক অবস্থান : রুহিকে গনধোলাই কেন হাটহাজারী মাদরাসা ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল? হাটহাজারী মাদরাসায় ছাত্রদের বিক্ষোভ ভাঙচুর : কওমীতে নজিরবিহীন ঘটনা ‘তাবলিগের সেই ৪ দিনে যে শান্তি পেয়েছি, জীবনে কখনো তা পাইনি’ তাবলীগের কাজকে বাঁধাগ্রস্থ করতে লাখ লাখ রুপি লেনদেন হয়েছে: মাওলানা সাইয়্যেদ আরশাদ মাদানী দা.বা. (অডিওসহ) নিজামুদ্দীন মারকাজ বিশ্ব আমীরের কাছে বুঝিয়ে দিতে আদালতের নির্দেশ সিরাত থেকে ।। কা’বার চাবি দেওবন্দের বিরোদ্ধে আবারো মাওলানা আব্দুল মালেকের ফতোয়াবাজির ধৃষ্টতা:শতাধিক আলেমের নিন্দা ও প্রতিবাদ একান্ত সাক্ষাৎকারে সাইয়্যেদ আরশাদ মাদানী :উলামায়ে হিন্দ নিজামুদ্দীনের পাশে ছিলেন, আছেন, থাকবেন তাবলীগের হবিগঞ্জ জেলা আমীর হলেন বিশিষ্ট মোহাদ্দিস মাওলানা আব্দুল হক দা.বা.

শোকার্ত বিশ্ব আমীর

তাবলীগ নিউজ আন্তর্জাতিক ডেক্স | নিজামুদ্দীন মার্কাজে হাজী আবদুল ওয়াহাব রহ.-এর জানাযা বিষয়ে পরামর্শসভায় মাওলানা সাদ কান্ধলভী দাঃবাঃ পাকিস্তানে যেতে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি হাজী সাহেবের মৃত্যুর সংবাদ শুনামাত্রই শোকার্ত হয়ে পরেন। পরম শ্রদ্ধেয় অভিবাবককে হারিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পরেন। নিজামুদ্দিন মার্কাজে দ্রুত মাশওয়ারা ডেকে বিশেষ আমলের ফায়সালা করেন।

কিন্তু বিশিষ্ট আলেমগণ সবাই বর্তমান পরিস্থিতিতে তাকে পাকিস্তান যেতে বারণ করলে তিনি বলেন, আমাদের পরিবারের উপর হাজী আবদুল ওয়াহাব সাহেবের অনেক অবদান রয়েছে। আমি না যেতে পারলেও আমাদের পরিবারের কারও না কারও যেতে হবে।

পরে মাওলানা সাদ কান্ধলভী দাঃবাঃ তার ছেলে মাওলানা ইউসুফের নাম প্রস্তাব করেন।

পরামর্শের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাকিস্তানে আরও যাবেন, মিয়াজি আজমত সাহেব, মিয়াজি আজমত সাহেবের ছেলে মাওলানা ফারুক সাহেব, মাওলানা শওকত সাহেব প্রমুখ।

হাজী আব্দুল ওয়াহাব সাহেবের মৃত্যুতে গোটা বিশ্ব তাবলীগের সাথীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই ভারতে দিল্লীর নিযামুদ্দীন মারকাযে বিশেষ আমলের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

হাজী আব্দুল ওহাব সাহেব দাঃবাঃ ১৯২৩ সালের পয়লা জানুয়ারী ‌ভারতের দিল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি লাহোর ইসলামিয়া কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন। তিনি মাদরাসায় পড়ুয়া কোন আলেম ছিলেন না। তবে দাওয়াত ও তাবলীগের সিলসিলায় নিজের পুরো জীবনকেই উৎসর্গ করেছেন। জীবনে কখনোই দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ থেকে জুদা হতে পারেন নি।

উল্লেখ্য, স্নাতকোত্তরের পর তিনি পূর্ব-ভারতে তহসিলদার হিসেবে চাকুরি করেন।

তিনি তাবলীগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা ও আমির মাওলানা ইলিয়াস কান্ধলভীর জীবনকালেই তাবলীগ জামায়াতের সাথে যুক্ত হন। ১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি তিনি নিজামুদ্দীন মার্কাজে আসেন এবং ৬ মাস ধরে সেখানে মাওলানা ইলিয়াস কান্ধলভীর সান্নিধ্যগ্রহণ করেন।

তাবলীগে পুরোপরিভাবে সময় ও দ্বীনি কাজ প্রচারের জন্য তিনি তাঁর চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন এবং তিনি ছিলেন পাকিস্তানের প্রথম সেই পাঁচজন লোক, যারা তাদের সমগ্র জীবন তাবলীগের কাজ করার জন্য উৎসর্গ করেছিলেন।

মরহুম আঃ ওয়াহাব রঃ মাওলানা মুহম্মদ ইলিয়াস কান্ধলভী রহঃ ইউসুফ কান্ধলভী রঃ এবং ইনামুল হাসান কান্ধলভী রঃ এর সরাসরি সঙ্গী ছিলেন।

মোহতারাম আঃ ওয়াহাব রহঃ প্রকৃতপক্ষে নিজামুদ্দীন মার্কাজের এমারত এবং আলমী শূরা পদ্ধতির মধ্যকার চলমান রেষারেষির বাইরে ছিলেন।
তিনি নিজামুদ্দীন মার্কাজের অনুসরণ অনুকরণকে সবসময় প্রাধান্য দিতেন।

Facebook Comment





© All rights reserved © 2020 TabligNewsBD.Com
Design & Developed BY PopularServer.Com